বিপিএসসি পরীক্ষা ঘিরে মঙ্গলবার উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পাটনার রাজপথ (Bihar Protest)। শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা (TRE-4)-র নিয়মবদল, নেগেটিভ মার্কিং প্রত্যাহার এবং বিহারের বাসিন্দাদের জন্য চাকরিতে সংরক্ষণের দাবিতে হাজার হাজার চাকরিপ্রার্থী ও পড়ুয়া বিক্ষোভে সামিল হন।
মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরীর বাড়ির দিকে মিছিল এগোতে থাকলে (Bihar Protest) ডাকবাংলো চত্বরে পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের ধস্তাধস্তি শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টিয়ার গ্যাস ও জলকামান ব্যবহার করে। ঘটনায় কয়েকজন পড়ুয়া অসুস্থ হয়ে পড়েন, এক ছাত্রী এবং কয়েকজন পুলিশকর্মী আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। একাধিক আন্দোলনকারীকে আটকও করা হয়েছে।
কী কী দাবিতে এতদিন ধরে আন্দোলনে চাকরিপ্রার্থীরা?
গত ১৮ আগস্ট থেকে গার্ডানিবাগে একাধিক চাকরিপ্রার্থী সংগঠন বিভিন্ন দাবিতে ধর্নায় বসেছিল (Bihar Protest)। বিপিএসসির দুই ধাপের পরীক্ষার বদলে এক ধাপের পরীক্ষা, ‘নরম্যালাইজেশন’ বাতিল এবং শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় নেগেটিভ মার্কিং প্রত্যাহারের দাবি রয়েছে তাঁদের। পাশাপাশি সরকারি চাকরি ও শিক্ষক নিয়োগে ১০০ শতাংশ স্থানীয় বা ডোমিসাইল-ভিত্তিক সংরক্ষণ, ৭০তম BPSC প্রিলিমিনারি পরীক্ষা বাতিল এবং বয়সসীমায় ছাড়ের দাবিও জানিয়েছেন তাঁরা।
তাহলে আন্দোলনের আগুন আরও বাড়ল কেন?
সোমবার BPSC পরীক্ষা নিয়ামক রাজেশ কুমার সিংয়ের একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে ক্ষোভ আরও তীব্র হয় (Bihar Protest)। তাঁর “হাতি চলে বাজার…কুত্তে ভোঁকে হাজার” মন্তব্যের পর বিতর্ক তৈরি হলে তিনি পরে দুঃখপ্রকাশ করেন। তবে ততক্ষণে বিষয়টি রাজনৈতিক রং নেয়। আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব-সহ একাধিক বিরোধী দল আন্দোলনকারীদের পাশে দাঁড়িয়ে ওই মন্তব্যের সমালোচনা করে।
দীর্ঘ আন্দোলনের মধ্যেই মঙ্গলবার পড়ুয়াদের জন্য বড় ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী (Bihar Protest)। প্রতি মাসের চতুর্থ মঙ্গলবার রাজ্যজুড়ে ‘বিদ্যার্থী সহযোগিতা শিবির’ আয়োজনের পাশাপাশি নতুন অনলাইন পোর্টাল ও ১১০০ হেল্পলাইন চালুর কথা জানান তিনি। এর মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীরা সরাসরি নিজেদের অভিযোগ জানাতে পারবেন। তবে দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার বার্তাই দিয়েছেন পড়ুয়া এবং নেতারা।






