সোনা-রুপোর বাজারে যখন দামের পতন, তখন সম্পূর্ণ উল্টো ছবি তামার বাজারে (Copper Price in India)। শিল্প থেকে প্রযুক্তি বিভিন্ন ক্ষেত্রে তামার ব্যবহার বাড়ায় দ্রুত বাড়ছে এর চাহিদা। বিদ্যুৎ গ্রিড, বৈদ্যুতিক গাড়ি, রিনিউএবল এনার্জি এবং ডেটা সেন্টারের মতো ক্ষেত্রগুলি এখন তামার অন্যতম বড় ক্রেতা। চাহিদার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে সরবরাহ না বাড়ায় তাই বাড়ছে দামও।
আরও পড়ুন – Tarapith Hotel Fire : সামনে আগুন, পিছনে দরজা বন্ধ! হুড়োহুড়ি পূর্নাথীদের, মৃত ৭
তামার দামে ঊর্ধ্বগতি, নজর ভারতের বাজারে
ভারতের বাজারেও তামার দাম এখন নজর কাড়ছে (Copper Price in India)। অগাস্টে এমসিএক্সে তামার ফিউচার্স প্রতি কেজি প্রায় ১,৪০০ টাকায় পৌঁছেছে, ১৭ অগাস্টও প্রায় একই দরে লেনদেন হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে LME-তেও দাম রয়েছে রেকর্ড উচ্চতার কাছাকাছি। ফলে তামা ব্যবহারকারী সংস্থাগুলির খরচ বাড়লেও উৎপাদন সচল রাখতে তাদের বেশি দামে ধাতু কিনতে হচ্ছে।
চাহিদা বাড়লেও কেন কমছে না সরবরাহ?
তামার দামের পিছনে সবচেয়ে বড় সমস্যা হল সরবরাহ (Copper Price in India)। নতুন একটি তামার খনি তৈরি করতে দীর্ঘ সময় ও বিপুল বিনিয়োগ প্রয়োজন, ফলে চাহিদা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাজারে দ্রুত নতুন তামা আনা সম্ভব হচ্ছে না। S&P Global-এর হিসাব বলছে, ২০২৫ সালের প্রায় ২৮ মিলিয়ন টন থেকে ২০৪০ সালে বিশ্বে তামার চাহিদা বেড়ে ৪২ মিলিয়ন টনে পৌঁছতে পারে। বিদ্যুতায়ন, বৈদ্যুতিক গাড়ি, রিনিউএবল এনার্জি এবং AI ডেটা সেন্টার এই বাড়তি চাহিদার অন্যতম চালিকাশক্তি।
বিষয়টি শুধু দামের নয়, সরবরাহ নিশ্চিত করারও (Copper Price in India)। তামার উপর নির্ভরশীল সংস্থাগুলি দাম কমার আশায় অপেক্ষা করলে উৎপাদন ও পণ্য সরবরাহে সমস্যা হতে পারে। সেই কারণেই বাজারে তামা পাওয়া গেলেই অনেক ক্রেতা বেশি দাম দিতে প্রস্তুত। অর্থাৎ তামা এখন শুধু একটি শিল্পধাতু নয়, বরং ভবিষ্যতের বিদ্যুতায়ন ও প্রযুক্তি-নির্ভর অর্থনীতির জন্য কৌশলগত সম্পদ হয়ে উঠছে।






