স্বাধীনতা দিবসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর পোশাক ঘিরে (Modi I-Day Outfit Controversy) নতুন করে রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে তাঁর পরনে থাকা তেরঙা রঙের পকেট স্কোয়ার নিয়ে কংগ্রেসের একাধিক নেতা কটাক্ষ করেন। তাঁদের দাবি, পকেট স্কোয়ারে গেরুয়া, সাদা ও সবুজ রঙের বিন্যাস ভারতের জাতীয় পতাকার ক্রমের সঙ্গে মিলছে না, বরং তা আয়ারল্যান্ডের পতাকার মতো দেখাচ্ছে। কংগ্রেস মুখপাত্র পবন খেরা বিষয়টি নিয়ে প্রথম সরব হন। তাঁর কটাক্ষ, প্রধানমন্ত্রী যেন ‘উর্দুতে তিরঙ্গা’ পরেছেন, অথবা ভারতের বদলে আয়ারল্যান্ডের স্বাধীনতা দিবস পালন করছেন। পরে একই সুরে মন্তব্য করেন কংগ্রেস নেত্রী সুপ্রিয়া শ্রীনাতে।
কংগ্রেসের মন্তব্য সামনে আসতেই বিষয়টি নিয়ে সোশ্যাল (Modi I-Day Outfit Controversy) মিডিয়ায় শুরু হয় তীব্র বিতর্ক। অনেকেই কংগ্রেসের সমালোচনা করে বলেন, প্রধানমন্ত্রী জাতীয় পতাকা পরেননি; এটি ছিল তিন ভাঁজের একটি পকেট স্কোয়ার। তাঁদের যুক্তি, সামনে গেরুয়া, তার পরে সাদা এবং শেষে সবুজ, এইভাবেই কাপড়টি সাজানো হয়েছিল।
কেউ কেউ আবার জাতীয় পতাকা উল্লম্বভাবে প্রদর্শনের ক্ষেত্রে (Modi I-Day Outfit Controversy) Flag Code-এর নিয়মের কথাও তুলে ধরেন। একইসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর স্বাধীনতা দিবসের পোশাক নিয়ে সাধারণ মানুষের আগ্রহ নতুন নয়। বিশেষ করে প্রতি বছর তাঁর বিভিন্ন ধরনের পাগড়ি ও ঐতিহ্যবাহী পোশাক নজর কাড়ে।
প্রধানমন্ত্রীর স্বাধীনতা দিবসের সাজ কেমন ছিল?
এবারের স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীকে (Modi I-Day Outfit Controversy) দেখা যায় লাল রঙের ঐতিহ্যবাহী টাই-অ্যান্ড-ডাই পাগড়িতে। রাজস্থান ও গুজরাটে জনপ্রিয় ‘বন্ধেজ’ শিল্পের এই পাগড়ির সঙ্গে তিনি পরেছিলেন সাদা কুর্তা-পাজামা ও বাদামি রঙের জ্যাকেট। এদিন ছিল তাঁর টানা ১৩তম স্বাধীনতা দিবসের ভাষণ, যা প্রায় ৭৫ মিনিট স্থায়ী হয়।
ভাষণে ২০৪৭ সালের মধ্যে ‘বিকশিত ভারত’ গড়ার লক্ষ্যে ‘সপ্তধারা’ নামে সাত দফা সংস্কারের রূপরেখা তুলে ধরেন তিনি (Modi I-Day Outfit Controversy)। পাশাপাশি Gen Z-র জন্য বিনামূল্যে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার কোচিং এবং এক কোটি যুবক-যুবতীকে AI প্রশিক্ষণ দেওয়ার ঘোষণাও করেন।
ভাষণের কোন মন্তব্যে আপত্তি বিরোধীদের?
স্বাধীনতা দিবসের ভাষণে প্রধানমন্ত্রী ‘দিমাগি নকশাল’ বা ‘আদর্শগত নকশাল’-এর প্রসঙ্গ তোলেন (Modi I-Day Outfit Controversy)। এই মন্তব্য নিয়েও বিরোধীদের তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। কংগ্রেস প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যকে ‘হতাশার স্পষ্ট লক্ষণ’ বলে আক্রমণ করে। ফলে স্বাধীনতা দিবসের পোশাক নিয়ে বিতর্কের পাশাপাশি তাঁর ভাষণের একটি অংশ নিয়েও রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে।






