রেজিনগরের উপনির্বাচন ঘিরে ফের বড় মোড় (Rabiul Alam Chowdhury)। সকালেই মনোনয়ন প্রত্যাহারের কথা জানিয়েছিলেন মমতাপন্থী তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী রবিউল আলম চৌধুরী। কিন্তু বেলা গড়াতেই বদলে গেল সিদ্ধান্ত। প্রার্থীপদ প্রত্যাহার না করে ভোটে লড়াই করার কথা ঘোষণা করলেন তিনি।
রবিউলের বক্তব্য-
সকালে রবিউল জানিয়েছিলেন, কর্মীদের উপর লাগাতার চাপ তৈরি করা হচ্ছে (Rabiul Alam Chowdhury)। পাশাপাশি নতুন প্রতীক নিয়ে এত অল্প সময়ে ভোটে লড়াই করা সম্ভব নয় বলেও দাবি করেছিলেন তিনি। তাঁর বক্তব্য ছিল, আগের রাতেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিষয়টি জানিয়েছিলেন। মমতা নতুন প্রতীক নিয়েই লড়াই করার পরামর্শ দিলেও দ্রুত মানুষের কাছে নতুন প্রতীক পরিচিত করানো সম্ভব নয় বলে মনোনয়ন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তিনি।
তবে পরে সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন রবিউল (Rabiul Alam Chowdhury)। তাঁর কথায়, “আমাদের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথামতো প্রার্থীপদ নিয়ে যে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, সেখান থেকে সরে এলাম। লড়াই করব। দিদির দল করি। দিদির ভাল-মন্দ মেনে চলব। দিদির পরামর্শমতো প্রার্থীপদ বহাল রাখছি।”
বিজেপি এবং নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে মমতার ক্ষোভ
এর আগে শুক্রবার নন্দীগ্রামের মমতাপন্থী তৃণমূল প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে নবান্নে দেখা করার পরই তিনি ভোটে না লড়ার সিদ্ধান্ত নেন। এরপর সাংবাদিক বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপি এবং নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং নন্দীগ্রামে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে সমর্থনের কথা জানান (Rabiul Alam Chowdhury)।
নন্দীগ্রামের পর রেজিনগর নিয়েও জল্পনা তৈরি হয়েছিল। রবিউলের সকালের ঘোষণায় সেই জল্পনা আরও বাড়ে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাঁর ইউটার্নে ফের বদলে গেল সমীকরণ। এখন দেখার, শেষ পর্যন্ত নিজের এই সিদ্ধান্তে তিনি অনড় থাকেন কি না।






