বৃদ্ধ বাবা-মায়ের সম্পত্তিতে সন্তান বা উত্তরাধিকারীর জোর করে বসবাসের (Senior Sitizens Act) বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান দিল দিল্লি হাই কোর্ট। আদালতের পর্যবেক্ষণ, বাবা-মায়ের প্রতি অবহেলা, দুর্ব্যবহার বা দেখভাল না করার অভিযোগ প্রমাণিত হলে নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি থেকে সন্তানকে সরানোর নির্দেশ দিতে পারেন জেলা শাসক।
আরও পড়ুনঃ Footballer Death News : জীবন কতটা অনিশ্চিত ,আবারও প্রমাণিত ! মাঠেই লুটিয়ে পড়লেন ফুটবল তারকা
আদালতের পর্যবেক্ষণে আরও উঠে এসেছে, উচ্ছেদের আবেদন করার আগে প্রবীণ নাগরিককে ভরণপোষণের মামলা করতেই হবে—এমন বাধ্যবাধকতা নেই। নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে সরাসরি উচ্ছেদের প্রক্রিয়াও শুরু করা যেতে পারে।
কী ছিল মামলার আসল বিষয়বস্তু ?
ঘটনার সূত্রপাত একটি পারিবারিক বিবাদ থেকে। শাশুড়ির মালিকানাধীন (Senior Sitizens Act) বাড়িতে থাকা এক মহিলাকে সরানোর জন্য প্রবীণ ওই মহিলা ২০০৯ সালের সংশ্লিষ্ট নিয়মের অধীনে আবেদন করেন। তবে প্রাথমিক তদন্তে তাঁর বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগের স্পষ্ট প্রমাণ মেলেনি।
বিষয়টিকে পারিবারিক বিরোধ হিসেবে দেখে জেলা শাসক আবেদনটি নাকচ করেন। পরে ডিভিশনাল কমিশনার সেই সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপ করে মহিলাকে বাড়ি ছাড়ার নির্দেশ দেন। এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করেই দিল্লি হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন তিনি। তাঁর বক্তব্য, Senior Citizens Act-এর আওতায় এভাবে তাঁকে বাড়ি থেকে সরানোর আইনি ভিত্তি নেই।
শেষপর্যন্ত কোন সিদ্ধান্তে পৌঁছলো আদালত ?
মামলার নথি ও পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে দিল্লি হাই কোর্ট কমিশনারের (Senior Sitizens Act) দেওয়া বাড়ি খালি করার নির্দেশ বহাল রাখে। আদালতের মতে, প্রবীণ নাগরিকের নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ জীবনযাপনের অধিকারকে গুরুত্ব দিতে হবে। সেই কারণেই ওই মহিলার করা রিট আবেদন গ্রহণ করা হয়নি। একই সঙ্গে মামলার জন্য কোনও অতিরিক্ত খরচও ধার্য করেনি আদালত। এই সিদ্ধান্তে প্রবীণ বাবা-মায়ের বসবাস ও সম্পত্তি রক্ষায় Senior Citizens Act-এর অধীনে থাকা আইনি ব্যবস্থার গুরুত্ব ফের সামনে এসেছে।






