দক্ষিণ ২৪ পরগনার জীবনতলা থানার মৌখালি এলাকায় মাতলা নদীর চরের জবরদখল রুখতে বড়সড় পদক্ষেপ করল প্রশাসন ( Shaukat Molla ) । ক্যানিং পূর্বের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক শওকত মোল্লার পুত্র ইমরান মোল্লার মালিকানাধীন ‘অরণ্যের কূলে’ নামের একটি ক্যাফে বৃহস্পতিবার সকালে বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হল। ঘটনাস্থলে মোতায়েন ছিল বিশাল পুলিশ ও প্রশাসনিক বাহিনী।
আরও পড়ুন- Abhishek Banerjee : অভিষেকের শান্তিনিকেতনে ইঁট ছুঁড়ে আকস্মিক হামলা
তদন্তের আতশকাচে সম্পত্তি
প্রশাসন সূত্রে খবর, মাতলা নদীর চর এবং মৌখালি সেতু সংলগ্ন রাস্তা বেআইনিভাবে দখল করে এই ক্যাফেটি তৈরি করা হয়েছিল। গত ২৯ জুনই নির্মাণটি ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হলেও মালিকপক্ষ তা শোনেনি ( Shaukat Molla ) । ফলে নির্দিষ্ট সময়সীমা পেরোতেই স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে উচ্ছেদ অভিযান চালায় প্রশাসন। এই ভাঙার সমস্ত খরচও মালিকপক্ষের কাছ থেকেই আদায় করা হবে বলে জানানো হয়েছে।উল্লেখ্য, ভাঙড় বিস্ফোরণকাণ্ডে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)-র হাতে তৃণমূলের পরাজিত প্রার্থী শওকত মোল্লা গ্রেফতার হওয়ার পরই তাঁর পরিবারের সমস্ত সম্পত্তি তদন্তকারীদের আতশকাচের তলায় আসে। সেই তদন্ত সূত্রেই এই বেআইনি ক্যাফের বিষয়টি সামনে আসে। বর্তমানে শওকত একটি ধর্ষণ মামলায় অভিযুক্ত হিসেবে জীবনতলা থানার পুলিশি হেফাজতে রয়েছেন।
নিয়ম ভেঙে ব্যবসা ! শওকতের গ্রেফতারির পর কড়া আইনি পদক্ষে
বাবা বিধায়ক থাকাকালীন নিয়মের তোয়াক্কা না করে ক্ষমতার জোরে এই ব্যবসা চালানো হচ্ছিল বলে অভিযোগ। প্রশাসনের দাবি, আইন মেনেই এই উচ্ছেদ প্রক্রিয়া চালানো হয়েছে এবং গোটা অভিযানটি শান্তিপূর্ণভাবেই সম্পন্ন হয়েছে ( Shaukat Molla ) । একই সময়ে শওকতের গ্রেফতারি ও ছেলের ক্যাফেতে বুলডোজার অ্যাকশন ঘিরে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
একদিকে বিধায়ক শওকত মোল্লার গ্রেফতারি এবং অন্যদিকে ক্ষমতার অপব্যবহার করে বেআইনিভাবে চালানো ছেলের ক্যাফেতে প্রশাসনের এই বুলডোজার অভিযান-সব মিলিয়ে গোটা এলাকায় তীব্র রাজনৈতিক ও সামাজিক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে ( Shaukat Molla )। প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই উচ্ছেদ প্রক্রিয়াকে সম্পূর্ণ আইনি ও শান্তিপূর্ণ দাবি করা হলেও, একই সময়ে ঘটে যাওয়া এই জোড়া ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় স্তরে উত্তেজনা ও রাজনৈতিক চাপানউতোর এখন তুঙ্গে।
