বাজেট অধিবেশনের সমাপ্তি উপলক্ষে বিধানসভায় দাঁড়িয়ে রাজ্যের শাসনব্যবস্থা (Suvendu Praises Naushad Siddiqui) ও আইনসভার কার্যক্রম নিয়ে কড়া বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বিধানসভাকে প্রাণবন্ত ও স্বচ্ছ করতে বিরোধী দলগুলোকে মোট সময়ের অর্ধেক বরাদ্দ করার ঘোষণা করার পাশাপাশি, অধিবেশন চলাকালীন মন্ত্রীদের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক করা এবং বিধায়কদের উপস্থিতির হিসাব নিয়মিত ওয়েবসাইটে প্রকাশের ওপর জোর দেন তিনি।
নওশাদ সিদ্দিকির প্রশংসা ও উপস্থিতি
বিধানসভায় উপস্থিতির দিক থেকে বাকি সমস্ত বিধায়কদের পেছনে ফেলে শীর্ষস্থান দখল করায় আইএসএফ বিধায়ক তথা ভাঙড়ের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকির প্রশংসায় পঞ্চমুখ হলেন মুখ্যমন্ত্রী। বিধানসভার (Suvendu Praises Naushad Siddiqui) ফ্লোরে দাঁড়িয়ে শুভেন্দু অধিকারী নওশাদের নিয়মিত উপস্থিতি এবং কর্মতৎপরতার ভূয়সী প্রশংসা করেন। শাসক ও বিরোধীদের একাংশের চরম অনীহা এবং অনুপস্থিতির বিরুদ্ধে কড়া আক্রমণ শানিয়ে তিনি উল্লেখ করেন যে, অনেক নেতাই বিধানসভায় আসেন না, যার ফলে তাঁদের নিজেদের এলাকাতেই তীব্র জনরোষ ও প্রশ্নের মুখে পড়তে হচ্ছে।
ভাঙড়ের পরিস্থিতি ও রাজনৈতিক খোঁচা
ভাষণের একপর্যায়ে ভাঙড়ের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকিকে সরাসরি উদ্দেশ করে মুখ্যমন্ত্রী ব্যঙ্গাত্মক ও রাজনৈতিক সুরে প্রশ্ন তোলেন- “কী নওশাদ ভাই, সরকার বদলের পর ভাঙড়ে যেতে আর কোনো অসুবিধা হচ্ছে না তো?” মুখ্যমন্ত্রীর এই সরাসরি বার্তার জবাবে সম্মতি প্রকাশ করতে দেখা যায় ভাঙড় বিধায়ককে। রাজনৈতিক (Suvendu Praises Naushad Siddiqui) পালাবদলের পর রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে আইন-শৃঙ্খলা ও বিরোধী বিধায়কদের নিজ এলাকায় যাতায়াত নিয়ে চলা দীর্ঘদিনের টানাপোড়েন ও অস্থিরতার আবহকে এই মন্তব্যের মাধ্যমে ফের একবার জোরালোভাবে সামনে নিয়ে এলেন মুখ্যমন্ত্রী।
সর্বোপরি, বিধানসভায় জনপ্রতিনিধিদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করা এবং স্বচ্ছ গণতন্ত্রের স্বার্থে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের ওপর জোর দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু (Suvendu Praises Naushad Siddiqui) অধিকারীর এই বার্তা রাজ্য রাজনীতিতে এক নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
