দিল্লির যন্তর মন্তরে আয়োজিত নিট প্রশ্নফাঁস-বিরোধী বিক্ষোভে প্রধানমন্ত্রী (Teen Apologizes Modically) নরেন্দ্র মোদিকে কটূক্তি করার অভিযোগে দেশজুড়ে সমালোচনার ঝড় ওঠে। বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা ১৫ বছরের ওই কিশোরী শুক্রবার নিজের ভুল স্বীকার করে একটি ভিডিও বার্তার মাধ্যমে প্রকাশ্য ক্ষমা চেয়েছে। সে জানিয়েছে, বন্ধুদের প্ররোচনায় পড়ে সে ওই আপত্তিকর স্লোগান দিয়ে ফেলেছিল এবং সে এজন্য অত্যন্ত লজ্জিত।
আরও পড়ুন- Hamim Arpita Arrest : ঝাড়খণ্ড থেকে ধৃত জঙ্গি হামিমের বান্ধবী অর্পিতা, জালে চাঞ্চল্যকর চক্র
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মহৎ উদারতা ও ক্ষমার বার্তা
কিশোরীর এই ক্ষমা চাওয়ার ভিডিও প্রকাশের আগেই (Teen Apologizes Modically) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তাঁর ইনস্টাগ্রাম বার্তায় এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। তিনি স্পষ্ট জানান, তরুণ বয়সের ভুল থেকে শিক্ষা নেওয়ার সুযোগ থাকা উচিত। কঠোর শাস্তির পথ এড়িয়ে তিনি ওই কিশোরীসহ সংশ্লিষ্টদের ক্ষমা করে দিয়েছেন এবং সমাজকে তাদের সঠিক পথ দেখানোর আহ্বান জানিয়েছেন।
আইনি জটিলতা এবং ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ধারা অনুযায়ী মামলা
সংবিধানের সর্বোচ্চ পদের মর্যাদা ক্ষুণ্ণ করা এবং জনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত করার গুরুতর অভিযোগে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৩৫২, ৩৫৩(১) এবং ৩৫৬(১) ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। ঘটনার পর থেকেই কিশোরীর ফ্ল্যাট বন্ধ থাকায় এবং তার পরিবারের খোঁজ না মেলায় পুলিশের পক্ষ থেকে আইনি (Teen Apologizes Modically) প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। ঘটনার আয়োজক ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) কিশোরীর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা দায়েরের তীব্র বিরোধিতা করেছে। তাদের মতে, অবমাননাকর ভাষা গ্রহণযোগ্য না হলেও ফৌজদারি মামলার বদলে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষা এবং মানহানির মামলার আইনি পথ অবলম্বন করা উচিত ছিল।
যন্তর মন্তরের এই অনভিপ্রেত ঘটনা প্রমাণ করে যে, কঠোর আইনি পদক্ষেপের পাশাপাশি তরুণ প্রজন্মের ভুল শুধরে তাদের সঠিক পথে ফিরিয়ে আনা সমাজের দায়িত্ব। প্রধানমন্ত্রীর (Teen Apologizes Modically) উদার মানসিকতা ও কিশোরীর অনুশোচনা আজকের রাজনৈতিক পরিসরে সংবেদনশীলতা ও দায়িত্বশীলতার এক গভীর শিক্ষা হয়ে রইল।
