সোমবার তারাপীঠ মন্দিরে পূজো দিতে এসে (Tarapith Hotel Fire) চরম দুর্ঘটনার কবলে পড়েন পূর্নাথীরা। ভোর সাড়ে ৪ টে নাগাদ তারাপীঠের মন্দির সংলগ্ন একটি বিদেশিনী নামক হোটেলে ভয়ঙ্কর অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এই অগ্নিকাণ্ডে এখনও পর্যন্ত ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
জানা জাচ্ছে, আগুন মূল উৎস হল বিদ্যুৎ সরবরাহের MCB, যা ফেটে গিয়ে আগুন ছড়িয়ে পড়ে রিসেপশন থেকে হোটেলের ঘরে ঘরে এবং বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় (Tarapith Hotel Fire)। চারিদিক কালো ধোঁয়ায় অন্ধকার গ্রাস করে ফেলে। এর জেরে মানুষের মধ্যে তীব্র আতঙ্কের সৃষ্টি হয় এবং চারিদিকে হুড়োহুড়ি পরে যায় (Tarapith Hotel Fire)। হোটেলের পিছনে নিরাপদে বেরিয়ে যাওয়ার রাস্তা ছিল। কিন্তু পূর্নাথিরা সেই পথ সম্পর্কে জানতেন না তাই এই বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়।
হোটেলের মালিকের বক্তব্য –
হোটেলের মালিক তপনজ্যোতি মণ্ডল জানান, (Tarapith Hotel Fire) তিনি ও তার পরিবার নিয়ে এই হোটেলেই ছিলেন যখন আগুন লাগে। তিনি বলেন, ‘যে রিসেপশনে ঘটনাটা ঘটেছে তার পিছনের প্রথম রুমে আমার বৃদ্ধ মা ছিলেন। পরের রুমে আমার স্ত্রী ও দশ বছরের দুই সন্তান ছিল। দরজা খুলতে না খুলতেই দেখি আগুন ঢুকে গেল। তারপর বাথরুমে জল চালিয়েছি। আর সেখানকার ফাঁকা অংশ থেকে সাহায্যের জন্য চিৎকার করেছি।’
আগুন লাগার পর ফায়ার এলার্ম কেন বাজলো না ?
বিদেশিনী হোটেলে আগুন লাগার পর ফায়ার অ্যালার্ম না বাজার প্রধান কারণ ছিল হোটেলের অগ্নিনির্বাপণ পরিকাঠামো বিকল বা অকেজো থাকা (Tarapith Hotel Fire)। এছাড়া সঠিক রক্ষণাবেক্ষণের অভাব ছিল বলে জানা যায়। তদন্তকারীদের মতে, হোটেলটিতে কেবল লোক দেখানো ফায়ার অ্যালার্ম বা সেফটি সিস্টেম ছিল, কিন্তু বিপদের সময় কাজ করার মতো কোনো বাস্তব প্রস্তুতি ছিল না।
এই চরম গাফিলতির জন্যই হোটেলের মালিককে পুলিশ গ্রেফতার করেছে (Tarapith Hotel Fire)। ঠিক কীভাবে আগুন লাগল, হোটেলে অগ্নিনিরাপত্তার ব্যবস্থা কতটা ছিল এবং কোনও গাফিলতি ছিল কি না তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ ও দমকল বিভাগ।




