পুজোর আগেই কলকাতা পুরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রস্তুতিতে জোর দিল বিজেপি। বিজেপির রাজ্য দফতরে কলকাতা পুরসভা নির্বাচন নিয়ে উত্তর ও দক্ষিণ—দুই সাংগঠনিক জেলার নেতৃত্বকে নিয়ে বৈঠক হয়। পুজোর আগে থেকেই কর্মসূচি শুরু করার নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ নেতৃত্ব। বৈঠকে ওয়ার্ড বিন্যাস (Kmc Election) নিয়েও আলোচনা হয়েছে। এদিন সুকান্ত মজুমদার বলেন, “বিজেপি কর্পোরেশন নিয়ে চিন্তাভাবনা শুরু করে দিয়েছে। প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে।” নির্বাচনকে সামনে রেখে আরও কমিটি তৈরি করা হবে বলেও জানান তিনি। তাঁর কথায়, দলের সংগঠন বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নতুন মানুষ যুক্ত হবেন, তবে তাতে পুরনো কর্মীদের গুরুত্ব কমবে না।
পুরভোটের দায়িত্বে সুকান্ত, সহযোগী রাজু
কলকাতা পুরভোটের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সুকান্ত মজুমদারকে। তাঁর সহযোগী হিসেবে দায়িত্বে থাকছেন রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়। আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন তাপস রায়, তাঁর সহযোগী (Kmc Election) রিতেশ তিওয়ারি। অন্যদিকে, হাওড়া পুরসভার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে রাহুল সিন্হাকে। হাওড়া পুরভোটে আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন সঞ্জয় কুমার সিং। কলকাতা ও হাওড়া—দুই পুরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে এগোচ্ছে বিজেপি।
পুজোর পরেই পুরভোট? বাড়ল কলকাতার ওয়ার্ড
পুজোর পরই রাজ্যে বাজতে চলেছে পুরভোটের বাদ্যি। এবছরের শেষেই কলকাতা এবং আট বছর ধরে আটকে থাকা হাওড়া পুরসভার ভোট হতে পারে। ইতিমধ্যেই বিধানসভার বিশেষ অধিবেশনে পাশ হয়েছে কলকাতা ও হাওড়া পুরসভা সংক্রান্ত জোড়া সংশোধনী বিল। ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাসের ফলে কলকাতা (Kmc Election) পুরসভার ১৪৪টি ওয়ার্ড বেড়ে হয়েছে ২০৯। এই প্রেক্ষাপটে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেছেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। কেন্দ্রে তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ গোষ্ঠী, NCPI এবং NDA-কে সমর্থন করলেও, পশ্চিমবঙ্গে পুরসভা ভোটে বিজেপি কারও সঙ্গে জোট করে লড়বে না বলে স্পষ্ট করেছেন তিনি।



