পশ্চিম দিল্লির তিলক নগরের ওল্ড মহাবীর নগরে বুধবার সন্ধ্যায় (Delhi Model Murder) নিজের বাড়িতেই খুন হন ২১ বছরের মডেল মুসকান। পুলিশ সূত্রে খবর, জিম ট্রেনার ইমরানের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ছিল। ঘটনার পর থেকেই পলাতক অভিযুক্ত। তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, মুসকান পরিবারের সঙ্গে দোতলায় থাকতেন এবং ঘটনার সময় বাড়িতে তিনি একাই ছিলেন।
আরও পড়ুন – Bihar Protest : BPSC ক্ষোভে উত্তপ্ত পাটনা! মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির কাছে ধুন্ধুমার, জলকামানে বিক্ষোভ দমন
বুধবার বিকেল ৫টা ৪০ মিনিট নাগাদ মুসকানের পাড়ায় পৌঁছয় ইমরান (Delhi Model Murder)। বাড়িতে জোর করে ঢোকার কোনও প্রমাণ মেলেনি, বরং মুসকানই তাঁকে ভিতরে ঢুকতে দিয়েছিলেন বলে পুলিশের অনুমান। সেই সময় মুসকানের মা সবজি কিনতে বাইরে ছিলেন এবং দুই দিদি, যাঁদের একজনও মডেল, শুটিংয়ের জন্য চণ্ডীগড়ে ছিলেন। পুলিশের দাবি, দু’জনের মধ্যে বচসার পর রাগের মাথায় ইমরান প্রথমে মুসকানকে গলা টিপে ধরেন এবং পরে সঙ্গে আনা ছুরি দিয়ে তাঁর পেটে একাধিকবার আঘাত করেন। এরপর মুসকানের ফোন নিয়ে সেখান থেকে পালিয়ে যান।
ঠিক কি ঘটেছিল?
সন্ধ্যা ৬টা ৪০ মিনিট নাগাদ বাড়ির পরিচারিকা এসে দরজা খোলা দেখতে পান (Delhi Model Murder)। ঘরের সব আলো বন্ধ থাকলেও মুসকানের ঘরের আলো জ্বলছিল। ভিতরে ঢুকে রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে দেখতে পান পরিচারিকা। তাঁর চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা ছুটে এসে মুসকানকে হাসপাতালে নিয়ে যান, তবে শেষরক্ষা হয়নি। বৃহস্পতিবার দুপুর ৩টে নাগাদ কড়া পুলিশি নিরাপত্তার মধ্যে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়। বাড়ির আশপাশেও নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে এবং গলিতে ব্যারিকেড বসিয়ে যাতায়াতকারীদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।
পুলিশের প্রাথমিক অনুমান কি?
পুলিশের দাবি, মুসকান ও ইমরানের মধ্যে সম্পর্ক থাকলেও ইমরান সন্দেহ করতেন, মুসকান অন্য এক যুবকের সঙ্গে কথা বলছেন (Delhi Model Murder)। সেই বিষয়েই তাঁকে প্রশ্ন করতে গিয়ে দু’জনের মধ্যে তুমুল ঝামেলা হয় বলে পুলিশের দাবি। ইমরান প্রায় ২ কিলোমিটার দূরের সেভেন জোন জিমে ট্রেনার হিসেবে কাজ করতেন, সেখানেই দু’জনের পরিচয়।
বন্ধুদের কথায়, মুসকান একইসঙ্গে কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিসেবে নিজের কেরিয়ার শুরু করেছিলেন এবং দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অফ ওপেন লার্নিং থেকে বিএ পড়ছিলেন (Delhi Model Murder)। দুই দিদি ও ১৮ বছরের ছোট ভাইকে নিয়ে বড় হওয়া মুসকান ও তাঁর ভাইবোনদের একক মা কমলেশ শর্মা লালন-পালন করেন। প্রায় ১৫ বছর আগে তাঁদের বাবা মারা যান।






