রেজিনগর উপনির্বাচনের আগে ফের পুলিশের বিরুদ্ধে সরব হুমায়ুন কবীর (Humayun Kabir Protest)। তাঁর অভিযোগ, নিজের ছেড়ে দেওয়া আসনে তাঁর দলের নেতা-কর্মীদের গ্রেফতার করা হচ্ছে এবং প্রচারেও বাধা দেওয়া হচ্ছে। এই অভিযোগেই বৃহস্পতিবার রেজিনগর থানার মূল ফটকের বাইরে চেয়ার পেতে অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করেন আম জনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান। তাঁর দাবি, পুলিশ রাজ্যের শাসকদল বিজেপির হয়ে কাজ করছে এবং তাঁদের প্রচার থেকে আটকাচ্ছে।
গাড়িতে করে একটি চেয়ার নিয়ে বৃহস্পতিবার সকালে থানায় পৌঁছন নওদার বিধায়ক হুমায়ুন (Humayun Kabir Protest)। তাঁর অভিযোগ, অন্য দলগুলিকে প্রচারের সুযোগ দেওয়া হলেও আম জনতা উন্নয়ন পার্টির কর্মীদের প্রচার থেকে সরে যেতে বলা হচ্ছে। রেজিনগরে পুলিশ ‘দালালি’ করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর দাবি, থানায় দায়িত্বে থাকা অফিসারদের সরিয়ে অন্য আধিকারিকদের আনা না হলে অবস্থান ও প্রতিবাদ চলবে। শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত থানার বাইরে অবস্থানে থাকার কথা জানিয়েছেন তিনি। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন দলের এক মহিলা নেত্রী।
কেন পুলিশের বিরুদ্ধে এই অবস্থান?
উপনির্বাচনের আগে দলের একাধিক নেতা-কর্মীকে গ্রেফতার করার অভিযোগ তুলেছেন হুমায়ুন (Humayun Kabir Protest)। শনিবার রাত থেকে রবিবার সকাল পর্যন্ত রেজিনগর ও শক্তিপুর থানার পুলিশের হাতে মঞ্জুর রহমান ওরফে লেবু, হক মল্লিক, আব্দুল আলিম এবং মহম্মদ নাসিম শেখ গ্রেফতার হয়েছেন বলে দাবি। নাসিম হুমায়ুনের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। বাকিরা আম জনতা উন্নয়ন পার্টির সঙ্গে যুক্ত বলে দাবি তাঁর। সোমবারও আরও এক জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন হুমায়ুন। দলীয় কর্মীদের গ্রেফতারির অভিযোগ নিয়ে ইতিমধ্যেই নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়েছেন তিনি।
কী হুঁশিয়ারি দিলেন হুমায়ুন?
হুমায়ুন জানিয়েছেন, এ ভাবে চলতে থাকলে উপনির্বাচনের দিন, (Humayun Kabir Protest) ৬ অক্টোবরও থানার বাইরে অবস্থান বিক্ষোভ করবেন তিনি। প্রশাসন ‘নির্বিচারে’ তাঁর লোকজনকে গ্রেফতার করছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। এর আগে ১৩ সেপ্টেম্বর শক্তিপুর থানার বাইরেও অবস্থানে বসেছিলেন হুমায়ুন। রেজিনগর আসনটি ছেড়ে দেওয়ার পর সেখানে উপনির্বাচন হচ্ছে এবং ওই আসনে নিজের পুত্রকে প্রার্থী করেছেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, পুলিশ তাঁর দলকে প্রচার করতে দিচ্ছে না এবং শাসকদলের হয়েই কাজ করছে।






