কলকাতা হাইকোর্টের এক অত্যন্ত জরুরি ও (Abhishek’s Office Demolition) নজিরবিহীন হস্তক্ষেপের জেরে শেষ পর্যন্ত স্থগিত হয়ে গেল ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমতলার বহুতল কার্যালয় ভাঙার কাজ। প্রশাসনের তরফ থেকে শুরু হওয়া এই হাই-ভোল্টেজ উচ্ছেদ অভিযানকে কেন্দ্র করে গত দু’দিন ধরে ওই এলাকায় তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল। ঘটনার সূত্রপাত ঘটেছিল গত শনিবার। ওই দিন আচমকাই তিনটি পেল্লাই বুলডোজ়ার নিয়ে আমতলায় অভিষেকের পাঁচতলা কার্যালয়ের সামনে হাজির হন প্রশাসনিক আধিকারিক ও বিশাল পুলিশ বাহিনী। কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই বুলডোজ়ার চালিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় কার্যালয়ের সামনের অংশ এবং শেড। রাতের অন্ধকারেও ভবনটি থেকে উদ্ধার করা হয় একাধিক নথিপত্র ও আসবাবপত্র, যা পরবর্তীতে প্রশাসন বাজেয়াপ্ত করে।
আরও পড়ুন- Rajesh Sharma Health Update : সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলেন রাজেশ শর্মা, এবার শ্যুটিংয়ে ফেরার অপেক্ষা
প্রশাসনের অভিযান
শনিবারের সেই ধ্বংসলীলার রেশ কাটতে না কাটতেই রবিবার সকাল থেকে শুরু হয় অভিযানের দ্বিতীয় পর্যায়। এবার আর বুলডোজ়ার নয়, প্রশাসনের (Abhishek’s Office Demolition) উচ্চপদস্থ কর্তাদের উপস্থিতিতেই ঝাঁকে ঝাঁকে শ্রমিক হাতুড়ি ও শাবল নিয়ে বহুতল ভবনটির মূল অংশ ভাঙার কাজে লেগে পড়েন। একদিকে যখন হাতুড়ির ঘায়ে পাঁচতলা ভবনের দেওয়াল ভাঙা হচ্ছিল, ঠিক তখনই এই উচ্ছেদের বিরুদ্ধে আইনি লড়াই লড়তে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবীরা। ছুটির দিন হওয়া সত্ত্বেও বিষয়টির গুরুত্ব বিবেচনা করে হাইকোর্টে জরুরি ভিত্তিতে শুনানির ব্যবস্থা করা হয়। দুপুরের দিকে আদালতের সেই বহুল প্রতীক্ষিত রায় সামনে আসতেই থমকে যায় গোটা প্রশাসনিক তৎপরতা।
রাজনৈতিক হুঁশিয়ারি
শনিবার ভাঙন শুরু হতেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছিলেন, কার্যালয়ের সমস্ত বৈধ নথি তাঁদের কাছে রয়েছে। এরপরই (Abhishek’s Office Demolition) বিষয়টি নিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন তিনি। রবিবার দুপুর সাড়ে ১২টা নাগাদ জরুরি শুনানির পর আদালত কার্যালয় ভাঙার কাজে স্থগিতাদেশ জারি করে।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। কড়া (Abhishek’s Office Demolition) হুঁশিয়ারি দিয়ে অভিষেক বলেন, “যে আইনে আজ আমাদের কার্যালয় ভাঙা হচ্ছে, সরকার পাল্টালে ২০৩১ সালে এই আইনেই বিজেপির অফিস সুদ সমেত ভাঙা হবে। প্রত্যেক ক্রিয়ারই সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া আছে।”
