লোকসভায় পাবলিক এগজামিনেশনস সংশোধনী বিলকে সমর্থন (Anti Paper Leak) করলেও কেন্দ্রীয় সরকারকে একহাত নেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, বিগত এক দশকে শিক্ষা ও পরীক্ষা ব্যবস্থায় ধারাবাহিক ব্যর্থতার জেরে সরকার নিজেই আগুন লাগিয়েছে। এখন এক বালতি জল নিয়ে এসে বাহবা কুড়ানোর চেষ্টা চলছে। শাস্তি বাড়ালেই গত ১২ বছরের ব্যর্থতা ঢাকবে না বলে তোপ দাগেন তিনি।
আরও পড়ুন- TMC Leader Murder : সুপারি কিলিংয়ে তৃণমূল নেতা খুন, হুগলির মামলায় সাতজনকে দোষী সাব্যস্ত
প্রধানমন্ত্রীর নীরবতা ও ব্যর্থতা নিয়ে প্রশ্ন অখিলেশের
সমাজবাদী পার্টির সুপ্রিমো অখিলেশ যাদব সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে নিশানা করেন। শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, একজন মন্ত্রীকে (Anti Paper Leak) সরিয়ে আসলে প্রধানমন্ত্রীকে রক্ষা করার চেষ্টা হয়েছে। বিজেপি সরকারের আমলে শিক্ষা ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে লাগাতার গৈরিকীকরণের অপচেষ্টা চলছে বলেও অভিযোগ তোলেন তিনি।
যুব শক্তির অবমূল্যায়ন ও কটাক্ষ গৌরব গগৈর
কংগ্রেস সাংসদ গৌরব গগৈও কেন্দ্রকে আক্রমণ করে বলেন, মন্ত্রিসভার বৈঠকে শিক্ষার সংস্কারের বদলে রিলস ও ইনস্টাগ্রাম নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী। দায়িত্বে থাকার সময় ছাত্রমৃত্যুর পরেও প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীকে যেভাবে বরণ করা হয়েছে, তার তীব্র সমালোচনা (Anti Paper Leak) করেন তিনি। সব মিলিয়ে, বিলকে সমর্থন জানালেও বিরোধীদের সাঁড়াশি আক্রমণে কোণঠাসা কেন্দ্রীয় সরকার।
বিল পাসের উদ্দেশ্যে আনা এই আইন নিয়ে বিরোধীদের ঐক্যবদ্ধ আক্রমণ স্পষ্ট করে দিল যে, আসন্ন দিনে কর্মসংস্থান ও শিক্ষা ব্যবস্থার সুরক্ষা একটি অন্যতম বড় রাজনৈতিক ইস্যু হতে চলেছে। সরকারের (Anti Paper Leak) সদিচ্ছাকে কাঠগড়ায় তুলে বিরোধীরা বুঝিয়ে দিলেন, কেবল আইন সংশোধন করলেই যুবসমাজের আস্থা অর্জন করা সম্ভব নয়।
