চোরবাগান সর্বজনীনে দুর্গাপুজোয় নজিরবিহীন বিপর্যয়ের পর শোকের আবহেই শুরু হয়েছে প্রতিমা নিরঞ্জনের তোড়জোড়। পুজোর রোশনাইয়ের মধ্যেই চিরতরে নিভে গিয়েছে ১৯টি প্রাণের প্রদীপ। উৎসবের (Chorbagan Pujo) আনন্দ মুছে গিয়ে এখন চারদিকে শোকের ছায়া। সিঁদুর খেলার আনন্দের বদলে চোখের জলে মা দুর্গাকে বিদায় জানানোর প্রস্তুতি চলছে। এই পরিস্থিতিতে প্রতিমা বিসর্জনের প্রক্রিয়া ঘিরে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন – WTC Points Table : অজিদের ধাক্কা, WTC-তে লাভ ভারতের? জমে উঠল পয়েন্ট টেবলের লড়াই!
মণ্ডপের মূল অংশ অক্ষত রেখেই বিসর্জন, আনা হল ৪০ জন কুলি
চোরবাগান সর্বজনীনের মণ্ডপের মূল অংশ অক্ষত রেখেই প্রতিমা বের করে নিরঞ্জন করাই এখন অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ। সেই উদ্দেশ্যে মণ্ডপ থেকে প্রতিমা বের করে আনার জন্য আনা হয়েছে ৪০ জন কুলিকে। গোটা প্রক্রিয়ায় যাতে দুর্ঘটনাস্থলের কোনও পরিবর্তন না হয়, সে বিষয়েও বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে। (Chorbagan Pujo) একদিকে প্রতিমা নিরঞ্জনের প্রস্তুতি, অন্যদিকে দুর্ঘটনাস্থলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ অক্ষত রাখার দায়িত্ব—দুইয়ের মধ্যে সমন্বয় রেখেই এগোচ্ছে বিসর্জনের কাজ।
প্রতিমা নিরঞ্জনের গোটা প্রক্রিয়ার ভিডিওগ্রাফি
প্রতিমা নিরঞ্জনের গোটা প্রক্রিয়ার ভিডিওগ্রাফি করা হয়। দুর্ঘটনার তদন্তের স্বার্থে ঘটনাস্থলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ অক্ষত রাখা ছিল অত্যন্ত জরুরি। তাই প্রতিমা বের করা থেকে বিসর্জন পর্যন্ত গোটা প্রক্রিয়ায় (Chorbagan Pujo) বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা হয়। একদিকে প্রতিমা নিরঞ্জনের আনুষ্ঠানিকতা, অন্যদিকে তদন্তের স্বার্থে ‘ক্রাইম সিন’ অক্ষত রাখা—এই দুইয়ের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রেখেই সম্পন্ন হয় চোরবাগান সর্বজনীনের প্রতিমা বিসর্জন।






