---Advertisement---

Hamim Mondal Case Update : হামিম মামলায় বড় দাবি! মুখ্যমন্ত্রীর কনভয় ঘিরে নতুন রহস্য

August 4, 2026 5:59 PM
Hamim Mondal Case Update
---Advertisement---

জঙ্গি সন্দেহে গ্রেফতার হামিম মণ্ডলকে ঘিরে তদন্ত যত এগোচ্ছে, (Hamim Mondal Case Update) ততই সামনে আসছে নতুন নতুন তথ্য। তদন্তকারী সূত্রের দাবি, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পরই হামিমের কাছে আসে বিশেষ নির্দেশ। পাকিস্তানি হ্যান্ডলার ও আইএসআই-যোগ থাকা সহযোগীদের নির্দেশে সে রাজ্যের শাসক দলের একাধিক রাজনৈতিক নেতার উপর নজরদারি শুরু করে।

আরও পড়ুন – Vikrant Massey Home : সমুদ্রের কোলে বিক্রান্ত ম্যাসি ও শীতল ঠাকুরের স্বপ্নের ঠিকানা।

সেই সময় থেকেই নিজের একটি নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার কাজেও নেমেছিল হামিম (Hamim Mondal Case Update)। তরুণ-তরুণীদের দলে টানার চেষ্টা এবং রাজনৈতিক নেতাদের উপর হামলার সম্ভাব্য ছক নিয়েও জেরায় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলেছে বলে দাবি তদন্তকারীদের।

হামিম কাণ্ডে ইতিমধ্যেই ঝাড়খণ্ড থেকে গ্রেফতার হয়েছেন তার বান্ধবী অর্পিতা সরকার। সোমবার এসটিএফের জালে ধরা পড়েছে হামিমের সহযোগী আদিত্য সিং ওরফে রাজুও (Hamim Mondal Case Update)। হাওড়ার বিজেপি বিধায়ক তথা রাজ্যের প্রতিমন্ত্রী উমেশ রাইয়ের ছেলেকে হানিট্র্যাপে ফাঁসানোর পরিকল্পনার সঙ্গে যুক্ত ছিল সে। পাশাপাশি, হামিমের কাছে কীভাবে টাকা ও সিম পৌঁছত, তারও হদিস পেয়েছেন তদন্তকারীরা। এসটিএফ সূত্রের দাবি, ‘ডেড ড্রপ’ পদ্ধতিতে নির্দিষ্ট জায়গায় টাকা ও সিম রেখে যাওয়া হত, পরে নির্দেশ পেয়ে সেগুলি সংগ্রহ করত হামিম। একাধিক হাওলা কারবারির মাধ্যমে এই লেনদেন চলত বলেও অভিযোগ।

কীভাবে চলত হামিমের নেটওয়ার্ক?

তদন্তকারী সূত্রের জানা গেছে, গোটা চক্রটি স্লিপার (Hamim Mondal Case Update) সেলের কায়দায় পরিচালিত হত। ভাট্টি গ্যাংয়ের সঙ্গে হামিমের কথোপকথন বিশ্লেষণ করে তদন্তকারীদের অনুমান, একাধিক রাজ্যে এই নেটওয়ার্ক ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল। হামিমের কাছ থেকে নিয়মিত টাকা পেত অর্পিতাও বলে তদন্তে উঠে এসেছে। গোটা অর্থ লেনদেন ও যোগাযোগ ব্যবস্থার সঙ্গে আরও কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

আদিত্য ওরফে রাজুর সঙ্গে হামিমের পরিচয় কীভাবে?

এসটিএফ সূত্রে জানা গিয়েছে, একটি গেমিং অ্যাপের মাধ্যমে হামিম মণ্ডলের সঙ্গে পরিচয় হয় আদিত্য সিং ওরফে রাজুর। অল্প সময়ের মধ্যেই তাঁদের ঘনিষ্ঠতা বাড়ে (Hamim Mondal Case Update)। সেই সুযোগেই আদিত্যর মগজধোলাই করে তাকে নজরদারির কাজে ব্যবহার করতে শুরু করে হামিম। তদন্তকারীদের দাবি, রাজ্যের প্রতিমন্ত্রী উমেশ রাইয়ের উপর নজরদারির দায়িত্বও দেওয়া হয়েছিল তাকে। হামিম ও অর্পিতাকে জেরা করেই আদিত্যর খোঁজ পান তদন্তকারীরা।

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now