টানা বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত ঝাড়গ্রামের বিনপুর এলাকার জনজীবন (Jhargram Rain Disrupts Schools)। তারাফেনী নদীর জল বেড়ে যাওয়ায় কার্যত বন্ধ হয়ে গিয়েছে যোগাযোগ। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে স্কুলগুলিতেও টানা দ্বিতীয় দিন শিক্ষকরা স্কুলে পৌঁছতে না পারায় ব্যাহত হচ্ছে পঠনপাঠন। একইসঙ্গে রান্না না হওয়ায় মিড-ডে মিল থেকেও বঞ্চিত হচ্ছে পড়ুয়ারা।
আরও পড়ুন – Copper Price in India : তামার দামে ঝড়! সোনা-রুপোকে টেক্কা দিয়ে কেন ছুটছে এই ধাতু?
জলমগ্ন স্কুল, থমকে গেছে পঠনপাঠন –
নদীর জল বেড়ে যাওয়ায় বিন্দাধরা ও ঢোলভাঙা স্কুল টানা দ্বিতীয় দিন সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে (Jhargram Rain Disrupts Schools)। বাসাঝুড়ি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তিন শিক্ষকের মধ্যে মাত্র একজন স্কুলে পৌঁছতে পেরেছেন। বাকি দুই শিক্ষক আসতে না পারায় কার্যত একাই স্কুল সামলাতে হচ্ছে তাঁকে। ফলে স্বাভাবিক পঠনপাঠনও ব্যাহত হয়েছে।
মিড-ডে মিল না পেয়ে খালি পেটেই বাড়ি –
শিক্ষক না আসার পাশাপাশি রান্না না হওয়ায় এদিন মিড-ডে মিলও দেওয়া যায়নি পড়ুয়াদের (Jhargram Rain Disrupts Schools)। স্কুলে এসে শেষ পর্যন্ত খাবার না পেয়েই বাড়ি ফিরতে হয়েছে শিশুদের। পড়ুয়াদের কথাতেও উঠে এসেছে সেই অসহায় পরিস্থিতি নদীর জল বেড়ে যাওয়ায় শিক্ষকরা স্কুলে আসতে পারেননি। ফলে পড়াশোনার পাশাপাশি বন্ধ হয়ে গিয়েছে একবেলা খাবারের ব্যবস্থাও।
বর্ষার সময় নদী পারাপারের স্থায়ী ও নিরাপদ ব্যবস্থা না থাকায় ক্ষোভ বাড়ছে অভিভাবকদের মধ্যে (Jhargram Rain Disrupts Schools)। টানা বৃষ্টিতে নদীর জল বাড়তে থাকায় শুধু স্কুলের পঠনপাঠনই নয়, সমস্যায় পড়েছে স্থানীয় মানুষের স্বাভাবিক যাতায়াতও।
দ্রুত জল না কমলে আগামী দিনগুলিতেও স্কুলে শিক্ষক ও পড়ুয়াদের উপস্থিতি নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে। সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়ছে খুদে পড়ুয়ারাই, কারণ স্কুল বন্ধের পাশাপাশি বন্ধ হয়ে যাচ্ছে মিড-ডে মিলও। তাই পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে নিরাপদ নদী পারাপারের ব্যবস্থা জরুরি বলে দাবি স্থানীয়দের।




