জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে জাতীয় রাজনীতিতে (Kolkata News) বদলাচ্ছে সমীকরণ। নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল এবং সিপিএমকে এক মঞ্চে দেখা যাচ্ছে। সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক এম এ বেবির সঙ্গে মমতার চিঠি আদান-প্রদান হয়েছে, হয়েছে ফোনালাপও। পাশাপাশি, যৌথ বৈঠক এবং প্রতিবাদ কর্মসূচিতেও দুই দলের প্রতিনিধিদের উপস্থিতি নজর কেড়েছে।
আরও পড়ুন – Fuel Price Hike : পুজোর মুখে পকেটে টান! বাড়ল পেট্রোল-ডিজেলের দাম!
তবে দিল্লির এই সমীকরণের সঙ্গে বাংলার ছবিটা কতটা মিলবে, তা নিয়ে প্রশ্ন থাকছেই। কারণ রাজ্যস্তরে তৃণমূল ও সিপিএমের রাজনৈতিক দূরত্ব এখনও স্পষ্ট। জাতীয় স্তরে যখন নির্দিষ্ট ইস্যুতে দুই দলকে পাশাপাশি দেখা যাচ্ছে, তখন বাংলায় জোট বা সমঝোতার কোনও সম্ভাবনা রয়েছে কি না, তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে। বিমান বসু এবং সুজন চক্রবর্তীর সাম্প্রতিক মন্তব্যেও সেই বিষয়েই মিলেছে ইঙ্গিত।
কেন করলো এমন কটাক্ষ?
তৃণমূল ও সিপিএমের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক অবস্থানকে (Kolkata News) ঘিরে বিজেপির নিশানাতেও উঠে এসেছে দুই দলের সম্পর্ক। বিজেপির বক্তব্য, জাতীয় রাজনীতিতে নির্দিষ্ট ইস্যুতে একসঙ্গে দেখা গেলেও বাংলায় তৃণমূল ও সিপিএম পরস্পরের বিরোধী শিবিরেই রয়েছে। ইন্ডিয়া জোটের শরিকদের মধ্যে বিভিন্ন রাজ্যে যে রাজনৈতিক সংঘাত রয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ তার অন্যতম উদাহরণ। ফলে জাতীয় স্তরের সমীকরণ এবং রাজ্যের রাজনৈতিক বাস্তবতার মধ্যে দুই দল কীভাবে সামঞ্জস্য রাখে, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।
সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুজন চক্রবর্তী বলেন, ‘সারা দেশের বিবেচনায় যা বিজেপি সরকার করছে, তার বিরুদ্ধে সবাইকেই একমত হতে হবে এটার মানে এটা নয় ।






