কলকাতায় ছাত্র আন্দোলনের আবহে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির একটি (Sreelekha Mitra Faces FIR) অবমাননাকর ও বিকৃত কার্টুনযুক্ত পোস্টার হাতে নিয়ে ছবি তুলে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়ানোর অভিযোগে আইনি জালে জড়িয়েছেন অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র। এই ঘৃণ্য ও অপমানের ঘটনা রাজনৈতিক মহলে চরম উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে এবং দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদাধিকারীকে নিয়ে এমন নোংরা মানসিকতার তীব্র নিন্দা শুরু হয়েছে।
আরও পড়ুন- Bihar Cop Suspended : NEET বিক্ষোভে AK-47 দিয়ে গুলি চালানোর অভিযোগে এসআইটি অফিসার সাসপেন্ড
শ্রীলেখার গ্রেফতারি দাবিতে বিজেপির হুঙ্কার
প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে এই অবমাননাকর প্রচারের জেরে ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন সাধারণ মানুষ ও রাজনৈতিক কর্মীরা। বিজেপি নেত্রী কেয়া ঘোষ আনন্দপুর (Sreelekha Mitra Faces FIR) থানায় এবং বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানাতেও অপর এক বিজেপি কর্মী সঞ্জয় পোইরা লিখিত অভিযোগ দায়ের করে শ্রীলেখা মিত্রের অবিলম্বে কঠোর গ্রেফতারির দাবি তুলেছেন। কেয়া ঘোষ স্পষ্ট ভাষায় হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন যে, দেশের প্রধানমন্ত্রীর এমন কুরুচিকর ছবি ও অপপ্রচার কোনো দেশপ্রেমিক নাগরিক বরদাস্ত করবে না এবং অভিযুক্তকে অবিলম্বে গ্রেফতার করা না হলে বৃহত্তর আইনি লড়াইয়ের পথে হেঁটে আদালতের দ্বারস্থ হবে দল।
শ্রীলেখা মিত্রের বিতর্কিত সাফাই ও ‘আমাকে ফাঁসানোর চেষ্টা চলছে’ তত্ত্ব খাড়া করা
চারিদিক থেকে সমালোচনার ঝড় উঠতেই আত্মপক্ষ সমর্থনে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও বার্তা প্রকাশ করেছেন অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র। তীব্র অস্বস্তির মুখে পড়ে তিনি দাবি করেছেন যে, পোস্টারটি নাকি অন্য কেউ তাঁর হাতে ধরিয়ে দিয়েছিল এবং পুলিশি লাঠিচার্জের (Sreelekha Mitra Faces FIR) জেরে তাড়াহুড়ো করে ছবি তুলতে গিয়ে তিনি পোস্টারের বিষয়বস্তু খেয়াল করেননি। পুরো ঘটনাটিকে সম্পূর্ণ অনিচ্ছাকৃত এবং তাঁকে ফাঁসানোর একটি গভীর ষড়যন্ত্র বলে দাবি করলেও, তাঁর এই ঢিমেতালে দেওয়া অগ্রহণযোগ্য সাফাই নিয়ে রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন ও ক্ষোভ আরও দ্বিগুণ হয়েছে।
শ্রীলেখা মিত্রের এই বিতর্কিত পোস্টারকাণ্ড ও তার প্রেক্ষিতে তৈরি হওয়া আইনি (Sreelekha Mitra Faces FIR) সংঘাত প্রমাণ করে যে, রাজনৈতিক বিক্ষোভের নামে শালীনতা ও আইনের সীমা লঙ্ঘন করা হলে তার পরিণাম কতটা মারাত্মক হতে পারে, যা বর্তমানে রাজ্য রাজনীতিতে এক উত্তপ্ত আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
