ক্ষুদিরাম বসুর আত্মবলিদান দিবসে কেশপুরের ( Suvendu On West Bengal Syllabus ) মোহবনিতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট জানান, পাঠ্যবইয়ে এই বীর শহিদের ইতিহাসকে মাত্র চার লাইনে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। প্রাথমিক স্তর থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত সিলেবাসে তাঁর জীবন ও আত্মত্যাগের ইতিহাস বিস্তারিতভাবে পড়ানো বাধ্যতামূলক করতে হবে-এই মর্মে তিনি রাজ্য শিক্ষা দপ্তরকে কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন।
মোহবনীর উন্নয়নে ৫ কোটি টাকা বরাদ্দ
কেশপুরের মোহবনিতে ক্ষুদিরাম বসুর পৈতৃক ভিটে সংস্কারের জন্য প্রাথমিক পর্যায়ে পাঁচ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে মোহবনি উন্নয়ন পর্ষদ। কেন্দ্রীয় (Suvendu On West Bengal Syllabus) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের নির্দেশেই এই সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। জেলাশাসককে দ্রুত পূর্ণাঙ্গ ডিপিআর তৈরি করে আগামী অক্টোবরের মধ্যে কাজ শুরুর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ওই ভিটেতে একটি সংগ্রহশালা, গ্যালারি এবং গবেষকদের থাকার জায়গার ব্যবস্থাসহ লেজার আলোর শো করার পরিকল্পনা রয়েছে।
কেশপুর থেকে সন্ত্রাসমুক্তির কড়া বার্তা
দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সন্ত্রাস এবং অশান্তির সংস্কৃতি ঝেড়ে ফেলে কেশপুরকে উন্নয়নের আলোয় নিয়ে আসার ডাক দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, কেশপুর (Suvendu On West Bengal Syllabus) মানে বোমা-গুলির রাজনীতি বা কাটমানি নয়, কেশপুর মানে শহিদ ক্ষুদিরাম বসুর গর্ব। এলাকার প্রতিটি দরিদ্র মানুষের বাড়িতে শৌচালয়, আবাসের ঘর, সোলার প্যানেল এবং স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি আগামী বছর তাঁর সফরের আগেই এই সমস্ত উন্নয়নমূলক কাজ সম্পূর্ণ করার কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছে।
বিগত দিনে রাজনৈতিক হেনস্তা ও ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের সময় সভা করার ক্ষেত্রে বাধার তীব্র সমালোচনা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই সময় তাঁর (Suvendu On West Bengal Syllabus) সভায় বাধা দেওয়ার ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পুলিশ সুপারকে নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। অতীতে কেশপুরের মাটিতে চলা একদলীয় ও সন্ত্রাসের শাসন বদলে এখন গণতন্ত্র এবং সার্বিক অগ্রগতির পথেই হাঁটবে রাজ্য সরকার, এমনটাই স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
