২০২১ সাল থেকে ‘খাম’ প্রতীকেই নির্বাচনী ময়দানে ছিল ইন্ডিয়ান (Symbol Change) সেকুলার ফ্রন্ট বা আইএসএফ। এই প্রতীক নিয়েই ভাঙড় থেকে পরপর দু’বার বিধানসভা ভোটে জয় পেয়েছেন নওশাদ সিদ্দিকী। কিন্তু নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনের আগে সেই পরিচিত প্রতীকই এবার ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন ‘গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস’-কে বরাদ্দ করেছে নির্বাচন কমিশন।
‘খাম’ হারিয়ে এবার আইএসএফকে ‘আলমারি’ প্রতীক দেওয়া হয়েছে (Symbol Change)। বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যেই নির্বাচন কমিশনে চিঠি দিয়েছেন নওশাদ। তাঁর দাবি, ২০২৬ সালের ভোটের জন্য কমিশনই আইএসএফকে খাম প্রতীক দিয়েছিল। প্রয়োজনে এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হওয়ার কথাও জানিয়েছেন তিনি।
বাঁশির জায়গায় হুমায়ুনের হাতে কেন টেবিল?
২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে হুমায়ুন কবীরের ‘আম জনতা উন্নয়ন পার্টি’ বা এইউজেপি ‘বাঁশি’ প্রতীক নিয়ে লড়েছিল (Symbol Change)। রেজিনগর ও নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনের আগে সেই প্রতীকও বদলে দিয়েছে কমিশন। এবার হুমায়ুনের দল পেয়েছে ‘টেবিল’ প্রতীক। রেজিনগর আসনটি হুমায়ুন ছেড়ে দেওয়ায় সেখানে তাঁর ছেলে গোলাম নবি আজাদ প্রার্থী হয়েছেন।
তৃণমূলের প্রতীক বদলে নতুন সমীকরণ –
উপনির্বাচনের আগে ‘অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম এবং ‘জোড়াফুল’ প্রতীক ব্যবহারে কমিশনের অন্তর্বর্তী নিষেধাজ্ঞার পর দুই শিবিরকে নতুন নাম ও প্রতীক বেছে নিতে বলা হয় (Symbol Change)। এরপর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের নাম হয়েছে ‘মমতা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস’, প্রতীক ‘ফুটবল খেলোয়াড়’; ঋতব্রত শিবির পেয়েছে ‘গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম এবং ‘খাম’ প্রতীক। ফলে একই সিদ্ধান্তে নওশাদদের পুরনো খাম ও হুমায়ুনদের বাঁশি – দুই প্রতীকই হাতছাড়া হয়েছে।
প্রতীক বদলের সিদ্ধান্তে বদলে গেল একাধিক রাজনৈতিক দলের নির্বাচনী পরিচয় (Symbol Change)। নওশাদের আইএসএফকে ‘আলমারি’ এবং হুমায়ুনের দলকে ‘টেবিল’ প্রতীক দেওয়া হয়েছে, অন্যদিকে তৃণমূলের দুই শিবিরও নতুন নাম ও প্রতীক নিয়ে ময়দানে নামছে। ফলে নতুন প্রতীককে ঘিরে উপনির্বাচনের লড়াইয়ে আরও কী সমীকরণ তৈরি হয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।






