জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনে জালিয়াতি রুখতে ব্যর্থতার দায় চেপেছে গ্রামীণ (CM on Birth-Death Certificates) ও শহরঞ্চলের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের ওপর। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নজিরবিহীন সিদ্ধান্তে এক লহমায় কেড়ে নেওয়া হলো গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান এবং পুরচেয়ারম্যানদের নিবন্ধকের আইনি দায়িত্ব।
ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণে বড় আঘাত, রাশ এখন আমলাদের হাতে
স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির বিভ্রান্তিকর দোহাই দিয়ে স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনের মেরুদণ্ডই ভেঙে দিল রাজ্য। পঞ্চায়েত বা পুরসভার (CM on Birth-Death Certificates) পরিবর্তে এবার সরকারি আধিকারিক, বিএমওএইচ (BMOH) এবং হাসপাতাল সুপারদের ওপর ন্যস্ত হচ্ছে এই চরম আমলাতান্ত্রিক কর্তৃত্ব, যা সাধারণ নাগরিকদের পরিষেবা প্রাপ্তির ক্ষেত্রে জটিলতা ও হয়রানি আরও বাড়িয়ে তুলবে বলে আশঙ্কা।
প্রশাসনিক সংস্কার নাকি আমলাতন্ত্রের ভয়াবহ থাবা?
ডিজিটাল সংস্কার ও পেশাদারিত্বের মনভোলা বুলির আড়ালে মূলত জনপ্রতিনিধিদের গুরুত্বহীন করে তোলা হলো। পঞ্চায়েতী ব্যবস্থার মূল (CM on Birth-Death Certificates) ভাবনাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে সমস্ত ক্ষমতার রাশ প্রশাসনিক আধিকারিকদের হাতে তুলে দেওয়ায় চরম ক্ষোভ ও অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে বিভিন্ন মহলে।
সামগ্রিকভাবে, ভুয়ো শংসাপত্র ও জালিয়াতি রুখতে রাজ্য সরকারের এই প্রশাসনিক রদবদল কাগজের কলমে জনসেবাকে দ্রুত ও স্বচ্ছ করার বার্তা দিলেও, বাস্তব ক্ষেত্রে এটি স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের ক্ষমতা খর্ব করার এক চরম নজির তৈরি করল। আমলাতান্ত্রিক (CM on Birth-Death Certificates) জটিলতা কাটিয়ে সাধারণ মানুষ আদৌ সহজে পরিষেবা পাবেন, নাকি লাল ফিতের ফাঁসে নাগরিক হয়রানি আরও দ্বিগুণ হবে তা নিয়েই এখন বড়সড় প্রশ্নচিহ্ন তৈরি হয়েছে।
