পুলিশের রক্তচক্ষু ও নিষেধাজ্ঞা বুড়ো আঙুল (Mamata Banerjee) দেখিয়ে রাজপথে নেমেছিল তৃণমূল ছাত্র পরিষদ। আদালতের কড়া নির্দেশ অগ্রাহ্য করে সিআইটি রোডের পদ্মপুকুরে বেআইনি জমায়েত ও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি করা হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ স্বৈরাচারী কায়দায় ধরপাকড় চালায় এবং কুখ্যাত উস্কানিমূলক ভূমিকার জন্য বিধায়ক কুণাল ঘোষ ও বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করে।
মমতার ক্ষোভ ও স্কুটি যাত্রা
সহকর্মীদের গ্রেফতারির খবর পেয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশের সঙ্গে তীব্র (Mamata Banerjee) বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। এরপর এক চরম নাটকীয় মোড় নিয়ে তিনি দলের নেত্রীর পরিচয় ভেঙে স্কুটিতে চেপে বসেন। পার্ক সার্কাস ও এক্সাইড মোড় প্রদক্ষিণ করে তাঁর এই আকস্মিক ও রহস্যজনক স্কুটি যাত্রা শহরজুড়ে চরম ট্রাফিক জ্যাম ও আতঙ্ক সৃষ্টি করে।
লালবাজারে পুলিশি ত্রাস
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্কুটিতে চড়েই লালবাজারের দিকে আসছেন—এমন গুজব রটতেই লালবাজার চত্বরে চরম হুলুস্থুল পড়ে যায়। পুলিশ সদর (Mamata Banerjee) দফতরকে দুর্গে পরিণত করে মূল গেটে শেকল দিয়ে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। স্বৈরাচারী কায়দায় সংসদ সদস্য ডেরেক ও ব্রায়েন এবং দোলা সেনকে পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে দেখা করতে বাধা দেওয়া হলে তীব্র উত্তেজনা ও ধস্তাধস্তি বাধে।
শেষ পর্যন্ত চরম উৎকণ্ঠার অবসান ঘটিয়ে লালবাজারের দিকে না গিয়ে কালীঘাটের বাড়ির পথ ধরেন মমতা। পুলিশের দমনপীড়ন এবং রাজনৈতিক তরজায় দিনভর উত্তপ্ত থাকে কলকাতার (Mamata Banerjee) রাজপথ। পুলিশ প্রশাসনের অতিসক্রিয়তা এবং বিরোধী পক্ষের বিক্ষোভের জেরে সাধারণ মানুষের চরম ভোগান্তির মধ্য দিয়ে এই বিশৃঙ্খল নাটকের আপাত অবসান ঘটে।
