NEET প্রশ্নফাঁস কেলেঙ্কারির প্রতিবাদে ‘বিহার বন্ধ’-এর সময় (Bihar Cop Suspended) সিওয়ানে যে নজিরবিহীন হিংসা ও পাশবিক তাণ্ডব চলেছে, তা সমগ্র রাজ্যকে স্তব্ধ করে দিয়েছে। আন্দোলনরত সাধারণ ছাত্র ও জনতাকে লক্ষ্য করে পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী দল SIT এর সদস্য তথা পুলিশ অফিসার অভিষেক প্যাটেলের এ কে-ফোরসেভেন (AK-47) রাইফেল থেকে গুলি চালানোর একটি ভয়ঙ্কর ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। পুলিশের এই বেপরোয়া ও নৃশংস গুলিবর্ষণের ঘটনায় সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা চরম হুমকির মুখে পড়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এমন বর্বরোচিত রূপ তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় তুলেছে।
আরও পড়ুন- Suvendu Praises Naushad Siddiqui : বিধানসভায় শুভেন্দুর মুখে নওশাদ প্রশংসা
অপরাধ ঢাকতে পুলিশের অন্ধ দমনপীড়ন ও গণ-গ্রেফতারি
সহিংস পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে অপরাধের দায় এড়াতে প্রশাসন এখন নির্বিচারে দমনপীড়নের পথ বেছে নিয়েছে। এই ঘটনায় মোট তিনটি (Bihar Cop Suspended) বানোয়াট এফআইআর দায়ের করে প্রায় তিন শতাধিক নিরীহ মানুষের বিরুদ্ধে মামলা ঠুকে দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে একশ জনের নাম নির্দিষ্ট থাকলেও বাকিরা অজ্ঞাতপরিচয়। ইতিমধ্যে ২৫ জন অভিযুক্তকে জবরদস্তিমূলকভাবে আটক করে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে, যা পুলিশি ত্রাস ও প্রশাসনিক স্বেচ্ছাচারিতার এক কালো অধ্যায়কে প্রকট করে তুলেছে।
১৫ বছরের কিশোরের ঘাড়ে গুলি ও বেহাল চিকিৎসাধীন অবস্থা
পুলিশি হিংসার এই অন্ধ কোপানলে পড়ে জীবনমৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে মাত্র পনেরো বছরের এক অপ্রাপ্তবয়স্ক কিশোর মহম্মদ আরিফ। দোকান বন্ধ (Bihar Cop Suspended) করে বাড়ি ফেরার সময় আকস্মিক ও নৃশংস এই গুলিবর্ষণের জেরে আরিফের গলায় সরাসরি গুলি লাগে, যা তার পরিবারকে এক গভীর ট্র্যাজেডির মুখে ঠেলে দিয়েছে। পাটনার মেদান্তা হাসপাতালে অত্যন্ত জটিল অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে গুলি বের করা হলেও, এই অমানবিক ঘটনা প্রশাসন ও পুলিশি ব্যবস্থার চরম ব্যর্থতা ও নিষ্ঠুরতাকে চিরতরে উন্মোচিত করেছে।
এই ধরনের ঔদ্ধত্যপূর্ণ ও বেপরোয়া পুলিশি আচরণ সমাজকে এক বিপজ্জনক অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিচ্ছে, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। দোষী পুলিশ (Bihar Cop Suspended) অফিসারের সাময়িক বরখাস্তের পাশাপাশি এই ন্যক্কারজনক ঘটনার নেপথ্যে থাকা প্রতিটি অপরাধীকে কঠোরতম শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে ক্ষুব্ধ জনতা।
