কলকাতা পুরসভার স্কুলগুলিতে ১ আগস্ট থেকে ইসকনের (Mid-Day Meal Row) নিরামিষ মিড ডে মিল চালুর সিদ্ধান্ত ঘিরে তৈরি হওয়া তীব্র রাজনৈতিক ও সামাজিক বিতর্ক অবশেষে প্রশমিত করার পথে হাঁটল প্রশাসন। খুদে পড়ুয়াদের শরীরে পুষ্টি ও প্রোটিনের ঘাটতি যাতে কোনওভাবেই না ঘটে, তার জন্য ইসকনের নিরামিষ খাবারের পাশাপাশি সেলফ হেল্প গ্রুপের মাধ্যমে আলাদা করে ডিম দেওয়ার এক যুগান্তকারী ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
আরও পড়ুন- Empty DA Promises : পুজোর আগেই বেতন ও ডিএ-র ফাঁপা প্রতিশ্রুতিতে ক্ষোভের মেঘ
২৯৬ কোটির কম্পোজিট গ্রান্ট প্রদান এবং জাতীয় শিক্ষানীতিতে সিলমোহর
এ দিন বিকেলে নবান্ন থেকে রাজ্যের ৮০ হাজারেরও বেশি সরকারি ও পোষিত স্কুলের জন্য মোট ২৯৬.৬৪ কোটি টাকার কম্পোজিট গ্রান্ট নেট ব্যাঙ্কিংয়ের মাধ্যমে সরাসরি হস্তান্তর করা হয়। এর পাশাপাশি (Mid-Day Meal Row) এক অত্যন্ত দূরদর্শী ঘোষণায় মুখ্যমন্ত্রী সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যে, আগামী দিনে পঠনপাঠন ও পরিকাঠামোয় আমূল পরিবর্তন আনতে রাজ্য আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় শিক্ষানীতির অন্তর্ভুক্ত হতে চলেছে, যার ফলে কেন্দ্রীয় অনুদান পাওয়ার পথ আরও সুগম হবে।
ডিম বাতিলের শঙ্কা এবং হাইকোর্টের মামলার মাঝেই বড় স্বস্তি
মিড ডে মিলের দায়িত্ব ইসকনের হাতে যাওয়ায় পড়ুয়াদের পাতে পুষ্টিকর ডিম চিরতরে বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল এবং এই বিষয়ে কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলাও দায়ের হয়েছিল। আদালতের (Mid-Day Meal Row) নজরদারি ও দেশজুড়ে চলা তীব্র প্রতিবাদের মুখে পড়ে নবান্নের তরফ থেকে এই বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত প্রমাণ করে যে, শিশুদের সুষম খাদ্য ও পুষ্টি নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে সরকার কোনো আপস করতে নারাজ।
উচ্চমাধ্যমিকে এআই ও ডেটা সায়েন্স চালুর হুংকার, বাড়বে পিএমশ্রী স্কুল
ঐতিহ্যবাহী শিক্ষার গণ্ডি পেরিয়ে আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মেলাতে এবার উচ্চমাধ্যমিক স্তরে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স, মেশিন লার্নিং এবং ডেটা সায়েন্সের মতো অত্যন্ত যুগোপযোগী বিষয়গুলি বাধ্যতামূলকভাবে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে রাজ্যের (Mid-Day Meal Row) ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্যতের উপযোগী করে তুলতে দেশজুড়ে পিএমশ্রী স্কুলের সংখ্যা আরও বাড়ানোর ওপর তীব্র জোর দেওয়া হচ্ছে।
শিশুদের পুষ্টির সুনিশ্চিতকরণ এবং শিক্ষার মানোন্নয়নে রাজ্য সরকারের এই জোড়া (Mid-Day Meal Row) পদক্ষেপ রাজ্যের ছাত্র সমাজের ভবিষ্যৎ বিনির্মাণে এক অত্যন্ত সুদূরপ্রসারী ও ইতিবাচক বার্তা বহন করবে।
