উদ্বোধনের কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই বড়সড় সমস্যার (Kanpur-Lucknow Expressway) মুখে কানপুর-লখনউ এক্সপ্রেসওয়ে। ভারী বৃষ্টির জেরে রাস্তার একটি অংশে ধস নামার পর ক্ষতিগ্রস্ত অংশ দ্রুত মেরামতের কাজ শুরু হয়েছে। পুনর্নির্মাণের আগে রাস্তার নিচের ভেজা মাটি শুকিয়ে নিতে সেখানে বসানো হয়েছে শক্তিশালী বৈদ্যুতিক ফ্যান। ঘটনাস্থলের ছবিতেও দেখা গিয়েছে, একাধিক হাই-পাওয়ার ফ্যান দিয়ে মাটি থেকে আর্দ্রতা দূর করার চেষ্টা চলছে।
আরও পড়ুন – Student Blood Collection : স্কুলছাত্রদের লোভ দেখিয়ে রক্ত সংগ্রহের গুরুতর অভিযোগ
এনএইচএআই-এর দাবি, টানা বৃষ্টির কারণে জল রাস্তার (Kanpur-Lucknow Expressway) নিচের স্তরে ঢুকে মাটির শক্তি কমিয়ে দেয়। তার ফলেই রাস্তার অংশটি সরে যায়। বর্তমানে মেরামতির কাজ চলায় কানপুর ও লখনউমুখী যানবাহন একটিমাত্র ক্যারেজওয়ে দিয়ে চলাচল করছে। নির্মাণকাজের পাশাপাশি যান চলাচল অব্যাহত থাকায় নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
চালকদের কী ধরনের সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে?
অনেক চালকের অভিযোগ, টোল কেটে নেওয়া হলেও আগে থেকে রাস্তার সমস্যার কথা জানানো হয়নি (Kanpur-Lucknow Expressway)। ফলে টোল প্লাজা পার হওয়ার পর তাঁদের ভুল দিক দিয়ে গাড়ি চালিয়ে যেতে হচ্ছে। অনেকের দাবি, আগেই পরিস্থিতির কথা জানানো হলে তাঁরা অন্য রাস্তা বেছে নিতেন। এই ডাইভারশনের ফলে দুর্ঘটনার আশঙ্কাও বেড়েছে এবং ট্রাফিক নিয়ম ভাঙার ভয়ও তৈরি হয়েছে।
এই ঘটনার পর এনএইচএআই কী কী পদক্ষেপ নিয়েছে?
ঘটনার পর নির্মাণের গুণমান নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে (Kanpur-Lucknow Expressway)। কারণ, একই জায়গায় এক মাস আগেও মেরামতির কাজ হয়েছিল এবং সাম্প্রতিক বৃষ্টির পর আরও সাত-আটটি জায়গায় রাস্তার উপরিভাগ সরে যাওয়ার অভিযোগ মিলেছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে আইআইটি খড়্গপুরকে।
পাশাপাশি পুরো রাস্তার লেজার প্রোফাইলোমিটার সমীক্ষার নির্দেশ দিয়েছে এনএইচএআই (Kanpur-Lucknow Expressway)। নির্মাণকারী সংস্থা পিএনসি ইনফ্রাটেককে নোটিস পাঠানো হয়েছে এবং প্রায় ৩ কোটি টাকার মেরামতির খরচও তাদেরই বহন করতে হবে। প্রকল্প তদারকির দায়িত্বে থাকা আধিকারিকদের সরিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি আগামী দু’বছরের জন্য এনএইচএআই ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রকের প্রকল্পে অংশগ্রহণ থেকেও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। মেরামতির কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত অংশে টোল আদায়ও বন্ধ থাকবে।
