---Advertisement---

Funeral on Videocall : শেষযাত্রায় নেই মেয়েরা, ভিডিও কলে শেষ বিদায়

August 6, 2026 7:48 PM
Funeral on Videocall
---Advertisement---

জীবনের সবটুকু দিয়ে তিন মেয়েকে মানুষ করেছিলেন (Funeral on Videocall)। শেষ বয়সে ঠাঁই হয়েছিল হরিয়ানার সোনিপতের একটি বৃদ্ধাশ্রমে। দীর্ঘ অসুস্থতার পর সেখানেই মৃত্যু হয় প্রাক্তন বস্ত্র ব্যবসায়ী শিবচরণ রামরতন গুপ্তের। শেষ বিদায়ের সময় তিন মেয়ের কেউ উপস্থিত থাকতে পারেননি। নেপাল, উত্তরপ্রদেশ ও মুম্বই থেকে ভিডিও কলে বাবার শেষকৃত্য দেখেন তাঁরা।

আরও পড়ুন – Kanpur-Lucknow Expressway : উদ্বোধনের কয়েক সপ্তাহেই ধস! এক্সপ্রেসওয়ে শুকোতে নামল বিশাল পাখা

স্ত্রী মীনার মৃত্যুর পর প্রায় দু’বছর ধরে বৃদ্ধাশ্রমেই থাকতেন শিবচরণ (Funeral on Videocall)। মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৩টা নাগাদ তাঁর মৃত্যু হয়। এরপর বৃদ্ধাশ্রম কর্তৃপক্ষ তিন মেয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তাঁরা সোনিপতে আসতে না পারায় আশ্রম কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয়দের উদ্যোগেই শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়। নেপালে থাকা মেয়ে অনিতা অনলাইনে ৫,১০০ টাকা পাঠিয়ে বাবার শেষকৃত্য যথাযথভাবে করার অনুরোধও জানান।

মেয়েরা কেন আসেননি?

বৃদ্ধাশ্রমের প্রশাসক আনন্দ কুমারের দাবি, (Funeral on Videocall) মৃত্যুর প্রায় ২০ দিন আগে থেকেই শিবচরণের শারীরিক অবস্থার অবনতির কথা মেয়েদের জানানো হয়েছিল। তবে তাঁরা কেউ দেখতে আসেননি। মৃত্যুর পরও সোনিপতে আসার সুযোগ দেওয়া হলেও সময়ের অভাবের কথা জানিয়ে তাঁরা ভিডিও কলে শেষকৃত্যে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

মৃত্যুর পর তাঁর ইচ্ছা কীভাবে পূরণ করা হল?

শিবচরণ গুপ্ত নিজের জীবনের সঞ্চয় ও পরিশ্রম দিয়ে তিন মেয়েকেই উচ্চশিক্ষিত করেছিলেন (Funeral on Videocall)। তাঁদের মধ্যে দু’জন বর্তমানে শিক্ষকতা করেন। মৃত্যুর পর পরিবারের ইচ্ছায় তাঁর চক্ষুদান করা হয়। প্রথমে অস্থি সংরক্ষণের কথা বলা হলেও পরে মেয়েরা সময়ের অভাবের কথা জানিয়ে গঙ্গায় অস্থি বিসর্জনের দায়িত্বও বৃদ্ধাশ্রম কর্তৃপক্ষকেই দেন।

সারা জীবন তিন মেয়ের ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতেই নিজেকে উৎসর্গ করেছিলেন শিবচরণ রামরতন গুপ্ত। কিন্তু জীবনের শেষ অধ্যায়ে তাঁর সঙ্গী ছিল একটি বৃদ্ধাশ্রম (Funeral on Videocall)। মৃত্যুর পরও শেষ বিদায়ে পাশে থাকতে পারেননি মেয়েরা; ভিডিও কলেই দেখেছেন বাবার শেষকৃত্য। তবে তাঁর মৃত্যুর পর চক্ষুদানের মাধ্যমে অন্যের জীবনে আলো পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ তাঁর জীবনকে অন্য এক মানবিক মাত্রা দিয়েছে। শেষ পর্যন্ত বৃদ্ধাশ্রম কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের হাত ধরেই সম্পন্ন হয় তাঁর শেষকৃত্য, আর এই ঘটনাই আবারও সামনে এনে দিল বৃদ্ধদের প্রতি পারিবারিক দায়িত্ব ও সম্পর্কের পরিবর্তিত বাস্তবতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন।

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now