---Advertisement---

ED freezes 440 crores : বিমান-চপার কেলেঙ্কারিতে তৃণমূলের ৪৪০ কোটি ফ্রিজ করল ইডি!

July 9, 2026 5:56 PM
ED freezes 440 crores
---Advertisement---

লোকসভা নির্বাচনের রেশ কাটতে না কাটতেই তৃণমূল কংগ্রেসের তহবিলে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)-এর বড়সড় থাবা (ED freezes 440 crores)। আর্থিক লেনদেনে অসঙ্গতির অভিযোগে শাসকদলের তিনটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে থাকা ৪৪০ কোটি ৪২ লক্ষ টাকা ফ্রিজ করল কেন্দ্রীয় এজেন্সি। উঠে এসেছে এক অবিশ্বাস্য বিমান ও চপার ঘোটালার চাঞ্চল্যকর তথ্য।

আরও পড়ুন- Aditi Munshi: রেস্তোরাঁর বিল নিয়ে বিতর্কে অদিতি! মুখ খুললেন বন্ধু

ইডির ম্যারাথন তল্লাশি

ইডির দাবি, ২০২৩ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে তৃণমূলের অ্যাকাউন্ট থেকে প্রায় ১৬০ কোটি টাকা গেছে ‘কেয়ারওয়েল অ্যাভিয়েশন’ ও তার সহযোগীদের কাছে। এই বিপুল টাকায় কেনা হয় ‘এমব্রেল লিগাসি ৬০০’ বিমান এবং ‘অগাস্টা ১০৯ এসপি’ চপার (ED freezes 440 crores)। এমনকি কেম্যান আইল্যান্ডসের একটি সংস্থা থেকে ১৬ কোটির ঋণেরও ব্যবস্থা হয়। তদন্তকারীদের অভিযোগ, তৃণমূলের টাকায় কেনা এই বিমান ঘুরিয়ে তৃণমূলকেই নির্বাচনী প্রচারে চড়া ভাড়ায় দেওয়া হতো। এই ঘোরপ্যাঁচে কোটি কোটি টাকার সন্দেহজনক লেনদেন হয়েছে। মঙ্গলবার রাধাবাজারের অফিসসহ নিউটাউন ও সল্টলেকে ম্যারাথন তল্লাশি চালায় ইডি।

তৃণমূল কে কড়া আক্রমন শমিকের

এই ঘটনায় রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র চাপানউতোর শুরু হয়েছে। বিজেপি সাংসদ তথা রাজ্য সভাপতি শমিক ভট্টাচার্য কড়া আক্রমণ শানিয়ে বলেন, “উপর থেকে নিচ পর্যন্ত তৃণমূল কংগ্রেস একটা লুটেরাদের দল।” পাল্টা ক্ষোভ উগরে দিয়ে তৃণমূলের তরফে সমাজ মাধ্যমে পোস্ট করে জানানো হয়, এই পদক্ষেপ সম্পূর্ণ ‘স্বেচ্ছাচারী, বেআইনি ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ (ED freezes 440 crores)। শাসকদলের দাবি, তহবিলের সমস্ত অনুদানের তথ্য নির্বাচন কমিশন ও আয়কর বিভাগের কাছে স্বচ্ছভাবে জমা দেওয়া রয়েছে। পুলিশের দায়ের করা ইসিআইআর (ECIR)-এর ভিত্তিতে তদন্তে নেমে ইডি এখন এই বিপুল অর্থের উৎসের খোঁজে মরিয়া।

সার্বিকভাবে, ৪৪০ কোটি টাকা ফ্রিজ এবং চপার-বিমান কাণ্ডের এই ঘটনা আগামী ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণকে আরও উত্তপ্ত করে তুলল। একদিকে ইডির এই পদক্ষেপকে কেন্দ্রীয় এজেন্সির অপব্যবহার ও ‘রাজনৈতিক প্রতিহিংসা’ বলে সরব হয়েছে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস, অন্যদিকে একে ‘দুর্নীতির বড়সড় পর্দাফাঁস’ হিসেবে হাতিয়ার করছে বিরোধী বিজেপি (ED freezes 440 crores)। তবে আইনি ও রাজনৈতিক এই তরজার বাইরে গিয়ে সাধারণ মানুষের নজর এখন তদন্তের ভবিষ্যতের দিকে। কেয়ারওয়েল অ্যাভিয়েশনের মাধ্যমে হওয়া এই কোটি কোটি টাকার ঘুরপথে লেনদেনের সত্যতা শেষ পর্যন্ত আদালতে প্রমাণিত হয় নাকি এটি কেবলই রাজনৈতিক চাপানউতোরের ইস্যু হয়ে থেকে যায়, তা সময়ই বলবে।

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now