মুর্শিদাবাদের ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার রেল (Haldia Train Derails) দুর্ঘটনার সাক্ষী থাকল হলদিয়া। শুক্রবার হলদিয়া বন্দরে পণ্য খালি করে ফেরার পথে আচমকাই লাইনচ্যুত হয় একটি মালবাহী ট্রেনের ৪টি বগি। তবে স্বস্তির বিষয়, বন্দর এলাকা থেকে বেরনোর সময় ট্রেনটির গতি অত্যন্ত ধীর থাকায় বড়সড় কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
আরও পড়ুন- CM Promises Jobs : বাঁকুড়ায় নতুন কর্মসংস্থানের দিশা, ১৫ হাজার কোটির প্রকল্প
তৎপরতায় উদ্ধারকাজ, স্বাভাবিক ট্রেন চলাচল
দুর্ঘটনার খবর পেয়েই দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান রেল কর্তৃপক্ষ ও হলদিয়া বন্দরের উচ্চপদস্থ আধিকারিকেরা। ক্রেনসহ আধুনিক যন্ত্রপাতি নিয়ে এসে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় লাইনচ্যুত বগিগুলিকে পুনরায় লাইনে তোলার কাজ (Haldia Train Derails) শুরু হয়। উদ্ধারকাজ শেষ হওয়ার পর ট্রেনটি মেচেদার অভিমুখে রওনা দেয়। বন্দরের নিজস্ব লাইনে এই ঘটনাটি ঘটায় মূল লাইনে ট্রেন চলাচলে কোনো ব্যাঘাত ঘটেনি।
তদন্তের আশ্বাস দিল রেল কর্তৃপক্ষ
রেলের এক পদস্থ আধিকারিক ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানিয়েছেন, বন্দর থেকে খালি হয়ে বেরনোর সময় পরপর চারটি বগি লাইনচ্যুত হয়েছিল। গতি কম থাকায় বড় বিপদ এড়ানো গেছে। তবে ঠিক কী কারণে এবং কার গাফিলতিতে এই দুর্ঘটনাটি ঘটল, (Haldia Train Derails) তা খতিয়ে দেখতে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত করা হবে বলে জানিয়েছে রেল।
উল্লেখ্য, এই দিনই সকালে মুর্শিদাবাদের কর্ণসুবর্ণ ও গোবিন্দপুরের মাঝে লেভেল ক্রসিংয়ে নিমতিতা-কাটোয়া লোকালের ধাক্কায় পিষে যায় একটি স্কুল পুলকার, যাতে ৫ শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়। নবদ্বীপ-বালুরঘাট এক্সপ্রেস যাওয়ার পর গেটম্যান অপর (Haldia Train Derails) লাইনের ট্রেন না দেখেই গেট খুলে দেওয়ায় এই বিপর্যয় ঘটে। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই হলদিয়ার এই দুর্ঘটনা রেলের নিরাপত্তা নিয়ে ফের প্রশ্ন তুলে দিল।
