আসন্ন স্বাধীনতা দিবস ২০২৬-কে সামনে রেখে (Har Ghar Tiranga) দেশজুড়ে শুরু হতে চলেছে এক মহোৎসব। দেশের ৭৫ বছরেরও বেশি স্বাধীনতার গৌরবকে সেলিব্রেট করতে এবং প্রতিটি নাগরিকের হৃদয়ে দেশপ্রেমের শিখা জ্বালিয়ে রাখতে রাজ্যজুড়ে আগামী ৯ থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত পালিত হতে চলেছে অত্যন্ত অনুপ্রেরণামূলক ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ কর্মসূচি। নবান্নের তরফে এই বিশেষ অভিযানের জন্য ইতিমধ্যেই ১৩ দফা নির্দেশিকা জেলায় জেলায় পাঠানো হয়েছে।
কেন প্রয়োজন ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ অভিযান?
আজকের দ্রুতগতির ও আত্মকেন্দ্রিক জীবনে জাতীয় ঐক্য, সংহতি এবং দেশের প্রতি নিঃস্বার্থ ভালোবাসার বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। তরুণ (Har Ghar Tiranga) প্রজন্মকে আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামীদের আত্মত্যাগ ও দেশের বীর সেনানীদের অবদান সম্পর্কে সচেতন করতে এই উদ্যোগ এক অনন্য সেতু হিসেবে কাজ করে। প্রতিটি ঘরে সগর্বে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে নাগরিক দায়িত্ববোধ এবং দেশের প্রতি অকৃত্রিম কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করার এই আন্দোলন সমাজকে আরও শক্তিশালী ও ঐক্যবদ্ধ করে তোলে।
গৌরব ও ঐক্যের পতাকাতলে একত্রিত হোক প্রতিটি ভারতবাসী
এই মহতী অভিযানকে সফল করতে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে জেলা, ব্লক ও মিউনিসিপালিটিগুলোর জন্য বিশেষ আর্থিক বরাদ্দ ও রূপরেখা প্রস্তুত করা হয়েছে। ৯ থেকে ১৭ আগস্টের (Har Ghar Tiranga) এই টানা ৯ দিনের কার্যসূচিতে কেবল পতাকা উত্তোলনই নয়, বরং বিভিন্ন ইতিবাচক সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রতিটি পাড়ায় উৎসবের আমেজ তৈরি করা হবে। প্রশাসনিক সহযোগিতায় সাধারণ মানুষ ও ছাত্রছাত্রীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে এই কর্মসূচি এক ঐতিহাসিক জনজোয়ারে পরিণত হবে।
আমাদের গর্বের ত্রিবর্ণরঞ্জিত পতাকা কেবল একটি কাপড়ের টুকরো নয়, এটি কোটি কোটি দেশবাসীর স্বপ্ন, স্বাধীনতা ও বীরত্বের প্রতীক। আসুন, রাজনৈতিক ও সামাজিক ভেদাভেদ (Har Ghar Tiranga) ভুলে আগামী ৯ থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত সাড়ম্বরে ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ অভিযানে শামিল হই। প্রতিটি বাড়িতে পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে আমরা বিশ্বকে বার্তা দিই যে, এক অটুট বন্ধনে আবদ্ধ থেকে আমরা আমাদের মাতৃভূমির মর্যাদা রক্ষায় চিরতরে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
