সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশকে স্বাগত জানিয়েও নিজেদের মূল দাবিতে (CJP Warns Over FIR Issue) অনড় থাকল ককরোচ জনতা পার্টি। দলের মুখপাত্র সৌরভ দাস জানান, আদালত যদি যুবসমাজের স্বার্থে কোনও সিদ্ধান্ত বা নির্দেশ দেয়, তাহলে সেই রায়কে তাঁরা অবশ্যই সম্মান ও স্বাগত জানাবেন। তবে তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য, শুধুমাত্র আদালতের নির্দেশ মানলেই হবে না, আন্দোলনকারীদের দীর্ঘদিনের দাবিগুলিও সরকারকে পূরণ করতে হবে। তিনি বলেন, আন্দোলন প্রত্যাহারের অন্যতম প্রধান শর্ত ছিল আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া সমস্ত FIR প্রত্যাহার এবং আটক বা গ্রেফতার হওয়া সকলকে নিঃশর্ত মুক্তি দেওয়া।
মঙ্গলবারের মধ্যেই সরকার লিখিতভাবে আশ্বাস দেবে (CJP Warns Over FIR Issue) এবং আটক বা গ্রেফতার হওয়া সকল আন্দোলনকারী মুক্তি পাবেন বলেই আশা প্রকাশ করেন সৌরভ দাস। তাঁর অভিযোগ, সরকারের সাম্প্রতিক বক্তব্য এবং বিভিন্ন শর্ত আরোপের ধরন নিয়ে আন্দোলনকারীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সরকারের সঙ্গে আলোচনায় যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, তা দ্রুত কার্যকর করার দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, আন্দোলনের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে সেই আশ্বাস বাস্তবায়নের উপরই।
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ নিয়ে CJP-র আপত্তি কোথায়?
সংবাদ সংস্থা ANI-কে সৌরভ দাস জানান, আন্দোলনকারীদের অন্যতম প্রধান দাবি ছিল তাঁদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া সমস্ত FIR প্রত্যাহার করা এবং আটক প্রত্যেক আন্দোলনকারীকে মুক্তি দেওয়া (CJP Warns Over FIR Issue)। কিন্তু সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে জানানো হয়েছে, ইতিমধ্যেই দায়ের হওয়া FIR প্রত্যাহার করা হবে না।
এই সিদ্ধান্ত নিয়েই আপত্তি তুলেছে CJP। সৌরভের দাবি, সরকারের সঙ্গে আলোচনায় এমন কোনও শর্তের কথা বলা হয়নি। বরং যে সমঝোতা হয়েছিল, তা ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। তাই সরকার পূর্বের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী পদক্ষেপ নেবে বলেই তাঁদের প্রত্যাশা। আদালতের এই শর্তগুলি আন্দোলনকারীদের দাবির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
প্রতিশ্রুতি ভাঙলে CJP-র পরবর্তী পদক্ষেপ কী?
সৌরভ দাস জানান, আগের দিনের সাংবাদিক বৈঠকেই স্পষ্ট করে ঘোষণা করা হয়েছে যে, সরকার যদি আন্দোলনকারীদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে দিল্লিতে ফের বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে (CJP Warns Over FIR Issue)।
তাঁর বক্তব্য, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশকে তাঁরা অস্বীকার করছেন না, তবে সেই নির্দেশ আন্দোলনকারীদের মূল দাবির বিকল্প হতে পারে না। প্রথমে আন্দোলনকারীদের সব দাবি পূরণ করতে হবে, তারপরই সরকার আদালতের নির্দেশ বা স্বস্তিমূলক ব্যবস্থাগুলি কার্যকর করতে পারে। সরকারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের দিকেই এখন সকলের নজর রয়েছে বলে জানান CJP-র মুখপাত্র।
