পুজোর আগেই রাজ্য সরকারি কর্মীদের বেতন (Empty DA Promises) এবং অতিরিক্ত ডিএ দেওয়ার কথা ঘোষণা করে ফের একরাশ ধোঁয়াশা তৈরি করলেন মুখ্যমন্ত্রী। গত এক দশক ধরে চলা ধারাবাহিক বঞ্চনা, শূন্য শূন্য বকেয়া ডিএ এবং মুদ্রাস্ফীতির বাজারে এই মিষ্টি কথায় চিঁড়ে ভিজছে না। মাসের পর মাস ধরে চলা অর্থনৈতিক নিপীড়নের জেরে সরকারি কর্মীদের পকেট আজ শূন্য, যা পুজোর আনন্দকে ম্লান করে দিচ্ছে।
আরও পড়ুন- Anti Paper Leak : প্রশ্নফাঁস বিল নিয়ে সংসদে কেন্দ্রকে তুলোধোনা বিরোধীদের
শূন্য পে কমিশনের মার ও লাগাতার অবহেলা
সপ্তম পে কমিশনের গঠন নিয়ে দীর্ঘসূত্রিতা এবং রাজ্য পুলিশ থেকে শুরু করে সাধারণ কর্মীদের বেহাল বেতন কাঠামো সরকারি কর্মচারীদের জীবনকে এক নরকীয় যন্ত্রণার মুখে ঠেলে দিয়েছে। কেন্দ্রীয় (Empty DA Promises) হারের সঙ্গে বিশাল ফারাক এবং তীব্র উদাসীনতার জেরে লাখ লাখ কর্মী আজ চরম হতাশা ও আর্থিক বিপর্যয়ের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন, যা প্রশাসনের চরম ব্যর্থতারই বহিঃপ্রকাশ।
এককালীন বঞ্চনা ঢাকতে মেকি অনুকম্পার রাজনীতি
আইপিএস স্তরের নীচের অগণিত পুলিশ কর্মী ও সাধারণ সরকারি কর্মচারীদের দীর্ঘস্থায়ী আর্থিক ক্ষতির দায় এড়িয়ে সস্তা রাজনৈতিক ফায়দা তোলার নোংরা খেলা চলছে। এক ছটাক (Empty DA Promises) ত্রাণের আশায় কর্মীদের ঝুলিয়ে রেখে বছরের পর বছর ধরে চলা এই বৈষম্যমূলক নীতি কেবল তাঁদের মেধার অবমূল্যায়নই করছে না, বরং চরম ক্ষোভের বিস্ফোরণ ঘটাচ্ছে।
বছরের পর বছর ধরে চলা বঞ্চনা ও ফাঁপা প্রতিশ্রুতির বেড়াজালে পিষ্ট রাজ্য সরকারি কর্মীরা আজ চরম আর্থিক সংকটের মুখে। নামমাত্র ডিএ বা উৎসবের (Empty DA Promises) আগে তড়িঘড়ি বেতনের এই মরীচিকাময় চাল তাঁদের পুজো তো দূর অস্ত, দৈনন্দিন বেঁচে থাকার লড়াইকেও দুর্বিষহ করে তুলেছে, যা যে কোনো মুহূর্তে এক বিস্ফোরণমুখী গণরোষের জন্ম দিতে পারে।
