১৯৮০ সালের ২৪ জুলাই তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসু নন্দনে (Nandan Controversy) চলচ্চিত্র ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। তার ঠিক পাঁচ বছর পর, ১৯৮৫ সালের ২ সেপ্টেম্বর প্রখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক সত্যজিৎ রায় এই বিখ্যাত নন্দন চত্বরের উদ্বোধন করেন। নন্দন ভবনের লোগোটি স্বয়ং সত্যজিৎ রায় ডিজাইন করেছিলেন।
আরও পড়ুন – Mahakaran Building Fire : কলকাতা শহরে আবারও ভয়ংকর অগ্নিকাণ্ড! এবারে মহাকরণে!
বাঙ্গালীর কৃষ্টি মননও আত্মার সঙ্গে জড়িয়ে আছে রবীন্দ্র সদন। ডিসেম্বরের ছুটি হোক, বা বিকেলে ঘোরার জন্য একটু নিরিবিলি জায়গা আপামর বাঙালির কাছে নন্দন চত্বর আলাদায় আবেগের জায়গা। বঙ্গ রাজনীতিতে এবার পালাবদলের পর সাদা সরিয়ে সবেতেই গেরুয়ার ছোঁয়া পড়েছে। এবার নন্দন চত্বরে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের নামাঙ্কিত ফলক সরিয়ে দেওয়া হল । নন্দন চত্বরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামাঙ্কিত ফলক সরানোকে ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চর্চা।
কী বলছেন দিলীপ ঘোষ?
এ বিষয়ে রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ কে প্রশ্ন করা হলে (Nandan Controversy) তিনি বলেন,”পরিবর্তন যখন হয়েছে তখন সবকিছুই পরিবর্তন হওয়া উচিত। যা চলছে, তা সিনেমা জগতে হোক বা অন্যত্র হোক তা ঠিক নয়৷ এবার সব কিছুর পরিবর্তন হবে। “
মিঠুন চক্রবর্তী কী বলেছেন ?
রাজ্যের তথ্য সংস্কৃতি দফতরের উপদেষ্টা মিঠুন চক্রবর্তীকে এই বিষয়ে (Nandan Controversy)প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “এখন আর কেউ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম দেখতে চান?” মমতা তৃণমূলের মুখপাত্র উপাসনা চৌধুরীও এবিষয়ে পালটা জবাব দেন, “এখন স্বৈরাচারী সরকার চলছে। মুখ্যমন্ত্রী আসলে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন গত ১৫ বছরের রাজ্যে কী কী হয়েছে।
২০১১ সালে সিপিএম বিদায়ের পরে তৃণমূল কংগ্রেস সরকার পশ্চিমবঙ্গের মসনদে বসে।সেই সময় মমতা ব্যানার্জির নামে বেশ কিছু ফলক নন্দনে লাগানো হয়েছিল । ২০২৬ সালে ফের রাজনৈতিক পালা বদলের পর এসেছে বিজেপি। এবার মমতা ব্যানার্জির নামাঙ্কিত ফলক সরিয়ে দিয়ে তার ওপর গেরুয়া রঙের প্রলেপ দিল বিজেপি সরকার। তবে জানা গেছে প্রাক্তন তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুর নামাঙ্কিত ফলক এখনো সরানো হয়নি।






