ফের আরেকবার কলকাতা শহর সাক্ষী থাকল (Mahakaran Building Fire) এক ভয়ংকর অগ্নিকাণ্ডের।কলকাতার বিবাদী বাগ (BBD Bag) এলাকায় মহাকরণ বিল্ডিংয়ের পিছনের একটি বহুতলের চতুর্থ তলার ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটেছে।রবিবার ১ নভেম্বর গভীর রাতে অগ্নি কান্ডটি ঘটেছে।পরবর্তীতে নিচের তলাগুলোতেও ওই আগুনের শিখা ছড়িয়ে পড়ে। প্রায় ভোর সাড়ে ৩টে নাগাদ সেই বিল্ডিং থেকে ধোঁয়া বেরতে দেখেন আশপাশের মানুষজন। সঙ্গে সঙ্গে তারা দমকল কর্মীদের খবর দেন।
আরও পড়ুন – BJP Mega Rally : রাজপথে গেরুয়া ঝড়! নিতিন নবীনের নেতৃত্বে বিজেপির মহামিছিল, নজরে শুভেন্দু-শমীক
প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে – অফিসে কম্পিউটার সহ বিভিন্ন দাহ্য সামগ্রী ও কাগজপত্র থাকার কারণে আগুন দ্রুত তীব্র আকার ধারণ করে। মাঝে আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও পকেট ফায়ার (pocket fire)-এর জেরে বারবার আগুন জ্বলে উঠতে থাকে।
ক্ষয়ক্ষতির পরিমান –
বহুতল ভবনটির চারতলায় বেশ কয়েকটি অন্তত চার থেকে (Mahakaran Building Fire) পাঁচটি সংস্থার অফিস, তাই আগুন লাগার ফলে বিপুল পরিমাণ গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র এবং আসবাবপত্র পুড়ে ছাই হয়ে গেছে ।এমনকী কম্পিউটারও ভস্মীভূত হয়েছে।পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দমকলের তৎপরতা সত্যিই প্রশংসনীয়।আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে দ্রুত দমকলের ১০টি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।
কিভাবে নিয়ন্ত্রণ কাজ চলেছে ?
বহুতলের ওপরের তলার বিভিন্ন অংশে যে ছোট ছোট আগুনের (Mahakaran Building Fire) উৎস বা ‘ফায়ার পকেট’ তৈরি হয়েছিল, দমকলকর্মীরা অত্যন্ত সতর্কতার সাথে ভিতরে ঢুকে সেগুলি নেভানোর কাজ করেন।আগুন যাতে আশেপাশের অন্যান্য বহুতলে বা ঘিঞ্জি এলাকায় ছড়িয়ে পড়তে না পারে, সেজন্য ভবনের ভেতর থেকে এবং একই সাথে বাইরে থেকেও অনবরত জল দেওয়া হয়।বহুতলের ভেতরের কালো ধোঁয়া বের করে দেওয়ার জন্য দমকলকর্মীরা ভবনের কাচ ভেঙে ভেন্টিলেশনের ব্যবস্থা করেন এবং উদ্ধারকাজ চালান।
প্রাথমিক অনুমান অনুযায়ী, শর্ট সার্কিট থেকেই এই ভয়াবহ আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। বর্তমানে আগুন ছড়িয়ে পড়ার পকেটগুলি নেভানোর পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে এবং কুলিং প্রসেস অর্থাৎ ভবন ঠান্ডা করার প্রক্রিয়া চলছে।অগ্নিকাণ্ডের খবর পাঠানো হয়েছে সংশ্লিষ্ট অফিস কর্তৃপক্ষকে। তাদের কী কী নথি নষ্ট হয়েছে, তার খতিয়ে দেখা হচ্ছে।






