ফুকেত থেকে দিল্লিগামী এয়ার ইন্ডিয়ার একটি বিমানে (Air India Turbulence) মাঝ আকাশে ভয়াবহ ‘এয়ার-টার্বুল্যান্স’-এর জেরে চরম আতঙ্ক ছড়াল। কোনও পূর্ব সতর্কবার্তা ছাড়াই বিমানটি হঠাৎই ৩০০ ফুট নিচে নেমে যায় এবং তীব্র ঝাঁকুনিতে বিমানের ভেতর সবকিছু ওলটপালট হয়ে যায়।
আরও পড়ুন- Smart Kolkata Parking : কলকাতায় আসছে অ্যাপ-নির্ভর পার্কিং ব্যবস্থা
টার্বুল্যান্সে রক্তাক্ত যাত্রীরা
আচমকা এই বিপর্যয়ের সময় অনেক যাত্রীই সিটবেল্ট খুলে বিশ্রামে বা ঘুমাচ্ছিলেন। বিমানটি হঠাৎ ৩০০ ফুট নিচে নেমে যাওয়ায় এবং তীব্র ঝাঁকুনি শুরু হওয়ায় তাঁরা সিট থেকে ছিটকে (Air India Turbulence) কেবিনের ছাদ বা সামনের সিটের সঙ্গে সজোরে ধাক্কা খান। বিমানের ভেতরের লাগেজ কম্পার্টমেন্টের ঢাকনা খুলে গিয়ে জিনিসপত্র যাত্রীদের ওপর পড়তে শুরু করে, যা পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটায়। এই আকস্মিক ও হাড়হিম করা পরিস্থিতিতে বিমানে তীব্র আতঙ্ক ও কান্নার রোল পড়ে যায়। আহতদের মধ্যে একাধিক যাত্রীর মাথা ও পিঠে গুরুতর আঘাত লাগে, এবং একজনের কানের পর্দা ফেটে যাওয়ায় তীব্র যন্ত্রণায় ছটফট করতে থাকেন তিনি। পাইলটের শেষ মুহূর্তের দক্ষতায় বিমানটি কোনওমতে নিয়ন্ত্রণে আসায় বড় ধরনের একটি বড় দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়।
এয়ার ইন্ডিয়ার প্রতিক্রিয়া ও তদন্ত
দিল্লি বিমানবন্দরে অবতরণের আগেই পাইলটরা এটিয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল (ATC) এবং এয়ারপোর্ট অথরিটির সঙ্গে যোগাযোগ করে জরুরি অবস্থার কথা জানিয়ে দেন। এর ফলে (Air India Turbulence) বিমানবন্দরে আগে থেকেই একটি বিশেষ মেডিক্যাল টিম, অ্যাম্বুলেন্স এবং চিকিৎসকদের দল প্রস্তুত রাখা হয়েছিল।
বিমানটি রানওয়েতে নামামাত্রই আহত যাত্রীদের এবং বিমানকর্মীকে দ্রুত ফার্স্ট এইড ও প্রয়োজনীয় জরুরি চিকিৎসা প্রদান করা হয়। পাশাপাশি, এয়ার ইন্ডিয়া কর্তৃপক্ষের তরফে এই অপ্রত্যাশিত ঘটনার জন্য গভীর দুঃখ প্রকাশ করা হয়েছে। বিমান সংস্থাটি স্পষ্ট জানিয়েছে (Air India Turbulence) যে কীভাবে এই ধরনের আকস্মিক ‘এয়ার-টার্বুল্যান্স’ এড়ানো যেত এবং কোনও পূর্ব সতর্কতা জারি করা হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখতে একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত শুরু হয়েছে। এই তদন্তের রিপোর্টের ভিত্তিতে ভবিষ্যতে সুরক্ষার ক্ষেত্রে আরও কঠোর পদক্ষেপ করা হবে বলে জানিয়েছে বিমান সংস্থাটি।
