দিল্লির যন্তর মন্তরের উত্তাল ধর্না মঞ্চে (Dharmendra Pradhan Resigns) তখন উল্লাসের জোয়ার। লাগাতার আন্দোলনের মুখে শেষ পর্যন্ত মাথা নত করতে বাধ্য হলো কেন্দ্রীয় সরকার। নিট প্রশ্নফাঁস কাণ্ডের মতো নজিরবিহীন দুর্নীতি এবং তীব্র প্রতিবাদের জেরে পদত্যাগ করলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। শনিবার দুপুরে এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই উল্লাসে ফেটে পড়েন আন্দোলনকারীরা। মন্ত্রীর এই পতনকে দুর্নীতি ও একনায়কতন্ত্রের বিরুদ্ধে ছাত্র শক্তির এক ঐতিহাসিক জয় হিসেবে অভিহিত করেছেন ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র প্রধান অভিজিৎ দীপকে।
অহংকারের পতন ও অভিজিতের হুংকার
আন্দোলনকারীদের লাগাতার চাপের মুখে মন্ত্রীর ইস্তফাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে চরম শোরগোল পড়েছে। মাইক্রোফোন হাতে নিয়ে ভিড়ের মাঝে অভিজিৎ তীব্র ভাষায় আক্রমণ (Dharmendra Pradhan Resigns) শানান শাসক শিবিরকে। তিনি কটাক্ষ করে বলেন, বহু মানুষ ভেবেছিলেন এই সরকারের জমানায় মন্ত্রীদের পদত্যাগ হয় না, তারা নিজেদের অপ্রতিরোধ্য বাদশা ভেবে ভুল করেছিল। কিন্তু ছাত্র সমাজ দেখিয়ে দিল যে অন্যায়ের সামনে মাথা নত না করলে সরকারকে কীভাবে বাধ্য করা যায়। তাঁর এই বক্তব্যে উপস্থিত জনতা মুহুর্মুহু স্লোগানে প্রকম্পিত করে তোলে যন্তর মন্তর চত্বর।
নতুন দাবি ও রক্তক্ষয়ী আন্দোলনের হুঁশিয়ারি
সামনের ভিড়ের দিকে তর্জনী উঁচিয়ে অভিজিৎ আরও এক ধাপ এগিয়ে ব্যঙ্গের সুরে বলেন, ‘ককরোচ একবার ঢুকলে আর বেরোয় না’। অর্থাৎ একবার এই আন্দোলন শুরু হলে তা (Dharmendra Pradhan Resigns) থেকে পিছু হঠার কোনো প্রশ্নই নেই। একদিকে যখন কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা চলছে, ঠিক তখনই আন্দোলনকারীদের এই আপসহীন মনোভাব রাজনৈতিক সংকটকে আরও ঘনীভূত করেছে। পুলিশের কুৎসিত দমনপীড়ন ও চরম অরাজকতার পরিবেশকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে ছাত্ররা তাদের অবস্থানে অনড় রয়েছে।
শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফা আদায়ের পরেও আন্দোলন থেকে সরছেন না ক্ষুব্ধ পড়ুয়ারা। অভিজিৎ (Dharmendra Pradhan Resigns) সাফ জানিয়েছেন, মৃতদের পরিবারের জন্য এক কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ ও সমস্ত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত এই রক্তক্ষয়ী আন্দোলন থামবে না।
