শুধু ব্যাট হাতে নয়, অধিনায়ক হিসেবেও নিজের দক্ষতার ছাপ রাখলেন শুভমান গিল (India Vs England)। ভারত বনাম ইংল্যান্ড প্রথম ওডিআইতে গুরনুর ব্রারের বোলিং প্রান্ত বদলের সিদ্ধান্তই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। সেই কৌশলের ফল মেলে চোখের পলকেই মাত্র চার বলের ব্যবধানে ইংল্যান্ডের দুই ওপেনার ফিরে যান সাজঘরে। শুরুতেই চাপে পড়ে যায় ইংল্যান্ড, আর ভারত ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে তুলে নেয়।
আরও পড়ুন: Hema Malini: কেন অভিনয় থেকে দূরে হেমা মালিনী? নিজেই জানালেন আসল কারণ
ইংল্যান্ডের দলীয় রান তখন ৬১। ব্রারের করা হার্ড লেংথ ডেলিভারিতে বড় শট খেলতে গিয়ে ভুল করেন জ্যাকব বেথেল। বলটি ঠিকমতো টাইম করতে না পেরে ডিপ মিডউইকেটে ক্যাচ তুলে দেন তিনি (India Vs England)। সেখানে দুর্দান্ত দক্ষতায় ক্যাচটি তালুবন্দি করেন ওয়াশিংটন সুন্দর। ৩১ বলে মাত্র ১৪ রান করে ফিরতে হয় বেথেলকে। গিলের কৌশলী সিদ্ধান্ত ও ব্রারের নিখুঁত বোলিংয়ে ম্যাচের গতি পুরোপুরি ভারতের দিকে ঘুরে যায়।
বুমরাহর দুর্দান্ত ক্যাচে কীভাবে থামলেন বেন ডাকেট?
স্ট্রাইক ফিরে পেয়েই আক্রমণাত্মক মেজাজে খেলতে যান বেন ডাকেট (India Vs England)। শর্ট বলকে আপার-কাট করে বাউন্ডারি মারার চেষ্টা করলেও সেটাই কাল হয়ে দাঁড়ায় তাঁর। ডিপ থার্ডে থাকা জসপ্রীত বুমরাহ অসাধারণ ভারসাম্য বজায় রেখে বাউন্ডারি লাইনের ভেতরে থেকেই দুর্দান্ত ক্যাচটি সম্পূর্ণ করেন। তাঁর এই অনবদ্য ফিল্ডিং শুধু একটি উইকেটই এনে দেয়নি, ইংল্যান্ডের উপর চাপও আরও বাড়িয়ে দেয়।
আক্রমণে ফিরেই কীভাবে হ্যারি ব্রুককে ফেরালেন বুমরাহ?
দুই নতুন ব্যাটসম্যান ক্রিজে আসতেই বড় চাল খেলেন অধিনায়ক শুভমান গিল। আক্রমণে ফেরানো হয় জসপ্রীত বুমরাহকে, আর প্রথম বলেই বাজিমাত করেন ভারতীয় পেসার (India Vs England)। হার্ড লেংথে করা চতুর ডেলিভারিতে বিভ্রান্ত হন হ্যারি ব্রুক। বল ছেড়ে দিতে গিয়েও শেষ মুহূর্তে ব্যাট লাগিয়ে ফেলেন তিনি। ব্যাটের কানায় লেগে বল সোজা চলে যায় স্লিপে, যেখানে সহজ ক্যাচ নেন ফিল্ডার। মাত্র ১ রান করেই সাজঘরে ফেরেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক।
চাপের মুহূর্তে বল হাতে দলের ভরসা হয়ে উঠলেন প্রসিদ্ধ কৃষ্ণা। দুর্দান্ত বোলিংয়ে পরপর দুই উইকেট তুলে ইংল্যান্ডকে বড় ধাক্কা দেন তিনি (India Vs England)। প্রথমে জো বাটলারকে ৫ রানে ফেরান, এরপর শূন্য রানে সাজঘরের পথ দেখান স্যাম কারানকে। তাঁর আগুনঝরা স্পেলের জেরে ৬০ রানে বিনা উইকেট থাকা ইংল্যান্ড মুহূর্তের মধ্যেই ৮০ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে চরম চাপে পড়ে যায়। ভারতের পেস ত্রয়ীর দাপটে ম্যাচের রাশ তখন পুরোপুরি শুভমান গিলের দলের হাতেই।
