---Advertisement---

Religious Intolerance : স্কুলে তুলসির মালা-চন্দনের টিকা পরায় একাদশ শ্রেণির ছাত্রীকে ‘হেনস্থা’!

July 7, 2026 7:39 PM
Religious Intolerance
---Advertisement---

খোদ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেই ধর্মীয় বিশ্বাস ও পোশাকবিধি নিয়ে চরম বিতর্ক (Religious Intolerance)। গলায় তুলসির মালা এবং কপালে চন্দনের তিলক কেটে স্কুলে আসায় একাদশ শ্রেণির এক ছাত্রীকে চরম হেনস্থা ও অপমান করার অভিযোগ উঠল স্কুলেরই প্রধান শিক্ষিকা ও সহ-শিক্ষিকার বিরুদ্ধে। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে পুরুলিয়ার পাড়া উচ্চবিদ্যালয়ে।

আরও পড়ুন- Baruipur Murder Case : ১৭ বছরের এক কিশোরকে গলায় ছুরির কোপ মেরে খুনের অভিযোগ!

অন্যত্র ভর্তি হওয়ার জন্য মানসিক চাপ ছাত্রীকে

স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই ছাত্রীটি নিজের ধর্মীয় রীতিনীতি মেনে গলায় তুলসির মালা এবং কপালে চন্দনের ফোঁটা লাগিয়ে প্রতিদিনের মতোই স্কুলে গিয়েছিল। অভিযোগ, স্কুলে আসার পরই তাকে ডেকে পাঠিয়ে চরম অপমান করেন স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা এবং এক সহ-শিক্ষিকা (Religious Intolerance)। এখানেই শেষ নয়, ওই ছাত্রীকে স্কুল থেকে টিসি (Transfer Certificate) নিয়ে অন্যত্র ভর্তি হওয়ার জন্য মানসিক চাপ দেওয়া হয় বলেও গুরুতর অভিযোগ উঠেছে স্কুল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে।

ধর্মীয় বিশ্বাস পালন নিয়ে একাধিক প্রশ্ন বিক্ষোভকারীদের

এই খবর জানাজানি হতেই তীব্র উত্তেজনা ছড়ায় স্কুল চত্বরে। ক্ষোভে ফেটে পড়েন ছাত্রীর অভিভাবক থেকে শুরু করে স্থানীয় বাসিন্দারা (Religious Intolerance)। স্কুলের গেটের সামনে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন তাঁরা। বিক্ষোভকারীদের স্পষ্ট প্রশ্ন, ভারতের মতো ধর্মনিরপেক্ষ দেশে একজন পড়ুয়া নিজের ধর্মীয় বিশ্বাস পালন করলে তা কীভাবে অপরাধ হতে পারে? কেন একজন নাবালিকা ছাত্রীকে এভাবে হেনস্থা ও স্কুল ছাড়ার হুমকি দেওয়া হবে?

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ প্রশাসন। যদিও স্কুল কর্তৃপক্ষের দাবি, বিদ্যালয়ের নির্দিষ্ট পোশাকবিধি ও সমতা বজায় রাখতেই ছাত্রীকে বলা হয়েছিল, কাউকে অপমান করার উদ্দেশ্য ছিল না (Religious Intolerance)। এই ঘটনায় দোষী শিক্ষিকাদের শাস্তির দাবি জানিয়ে স্কুল শিক্ষা দফতরের দ্বারস্থ হয়েছেন ক্ষুব্ধ অভিভাবকেরা।

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now