সীমান্ত পেরিয়ে বক্সা থেকে অসমে চলে গিয়েছিল সদ্য বিহার থেকে বক্সায় আনা ৩ বছরের বাঘিনি(Rescue Operation of Tigress )।তাকে ঘরে ফেরাতে বনমন্ত্রী মনোজ কুমার ওঁরাও সরাসরি নিজে দায়িত্ব নিয়েছিলেন।মঙ্গলবার বনমন্ত্রী ও অসম প্রশাসনের নিবিড় সহায়তায় টানা তিন ঘণ্টার রুদ্ধশ্বাস প্রচেষ্টায় ঘুমপাড়ানি গুলিতে কাবু করা হয় ৩বছরের বাঘিনিটিকে।
বাঘিনিটি অসমের জঙ্গল পেরিয়ে লোকালয়ের দিকে এগোছিল, বনমন্ত্রী নিজে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুরো উদ্ধারকাজের তদারকি করেন ।এনটিসিএ-র (ন্যাশনাল টাইগার কনজারভেশন অথরিটি) জরুরিকালীন অনুমতি নেওয়া থেকে তিনটি কুনকি হাতি নামিয়ে অভিযান পর্যন্ত সফল ভাবে পুরো বিষয়টি নিজে হাতে নেতৃত্ব দিয়েছেন বনমন্ত্রী ।
কিভাবে উদ্ধার কার্য চলে?
মঙ্গলবার বেলা আড়াইটে থেকে চলে বাঘিনী উদ্ধারের (Rescue Operation of Tigress) প্রক্রিয়া। বাঘিনিটি ঘন ঝোপের মধ্যে বারবার লুকিয়ে পড়ছিলো যার ফলে অভিযানটি বেশ জটিল হয়ে পড়েছিল। ৩টি প্রশিক্ষিত কুনকি হাতি নামিয়ে তাকে বাইরে বের করা হয়। বাঘিনী উদ্ধার কার্যে কুনকি হাতিগুলোর ভূমিকা অনস্বীকার্য ।বিকেল ৫.৩০ নাগাদ বাঘিনীটিকে নিখুঁত নিশানায় ঘুমপাড়ানি গুলি করে কাবু করা হয় ।অসমের রাইমোনা জাতীয় উদ্যান সংলগ্ন জঙ্গল থেকে বাঘিনিটিকে উদ্ধার করা হয়েছে।
তড়িঘড়ি উদ্ধারকার্যের কারণ?
গত ২ অক্টোবর বিহারের বাল্মীকি টাইগার রিজার্ভ থেকে বক্সার জঙ্গলে নিয়ে আসা হয় বাঘিনীটিকে (Rescue Operation of Tigress) ।কিন্তু বাঘিনীটি নিজের এলাকা চিহ্নিত করতে করতে ভিন্ রাজ্যে আসামের সীমানায় ভুলে ঢুকে পড়ে। বাঘিনীটি অসমের লোকালয়ের কাছাকাছি চলে যাওয়ার ফলে মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে যেমন সংশয় তৈরী হয়েছিল তেমনি বাঘিনির সুরক্ষা নিয়েও উদ্বেগ তৈরী হয়েছিল।
সেই কারণেই তড়িঘড়ি করে এনটিসিএ-র সঙ্গে যোগাযোগ করে সোমবার রাতেই বাঘিনীটিকে ফেরানোর ছাড়পত্র জোগাড় করেন বনমন্ত্রী। এ প্রসঙ্গে বনমন্ত্রী জানিয়েছেন, বাঘিনিটি পালিয়ে যায়নি, নতুন বাসস্থানে এসে নিজের ‘টেরিটরি’ তৈরি করতেই স্বাভাবিক নিয়মে সে ঘুরছিল।






