পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা চত্বরের ক্যান্টিনের শৌচাগার থেকে উদ্ধার (Bidhansabha Death) হল ৪৬ বছর বয়সি এক অস্থায়ী কর্মীর নিথর দেহ। মৃতের নাম উমেশ চন্দ্র দাস। সোমবার, ২ নভেম্বর সকালে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়ায় বিধানসভা চত্বরে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। হেয়ার স্ট্রিট থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে ।প্রায় ১৫ বছর ধরে তিনি বিধানসভার ক্যান্টিনে কর্মরত ছিলেন।
আরও পড়ুন – Indranil Sen News : স্ত্রীর পর কন্যাকেও তলব! ইন্দ্রনীলকে ঘিরে তদন্তে নয়া পদক্ষেপ
কী বলছেন পুলিশ ?
পুলিশ সূত্রে খবর, সোমবার সকাল ৯টা ১০ মিনিট নাগাদ ক্যান্টিন বিভাগের (Bidhansabha Death) শৌচাগারের ভিতরে অচৈতন্য অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায় উমেশবাবুকে। সকাল থেকে তাঁর খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। শৌচাগারের দরজা ভিতর থেকে বন্ধ থাকায় সন্দেহ হয় ক্যান্টিনের অন্য কর্মীদের। এরপর জানলা দিয়ে উঁকি মেরে তাঁকে ভিতরে পড়ে থাকতে দেখেন তাঁরা। পরে দরজা ভেঙে তাঁকে উদ্ধার করে মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনা প্রসঙ্গে পুলিশ কমিশনার কুণাল আগরওয়াল জানান, মৃতের বাড়ি তিলজলা এলাকায়। তাঁর শরীরে প্রাথমিকভাবে কোনও বাহ্যিক আঘাতের চিহ্ন মেলেনি। এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় কোনও অভিযোগ জমা পড়েনি।
ঠিক কী কারণে মৃত্যু হয়েছিল উমেশবাবুর?
তবে কী কারণে মৃত্যু হল উমেশবাবুর, তা এখনও পর্যন্ত স্পষ্ট নয়।পুলিশের (Bidhansabha Death) প্রাথমিক অনুমান, বয়সজনিত কারণে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে উমেশের। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে দেহের ময়নাতদন্তের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে না আসা পর্যন্ত মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়। সোমবারই দেহের ময়নাতদন্ত করার কথা। রিপোর্ট পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।
ঘটনার তদন্তে নেমেছে কলকাতা পুলিশের ডিডি হোমিসাইড শাখা। তদন্তে যুক্ত হয়েছে ডগ স্কোয়াডও। মৃতের পরিবারের সদস্যদের খবর দিতে পুলিশের একটি দল পাঠানো হয়েছে।






