দ্বিতীয় বা সেকেন্ডারি রানওয়ের সম্প্রসারণ ও আধুনিকীকরণের কাজ দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। (Kolkata Airport Upgradation) সব আবহাওয়ায় নির্বিঘ্ন উড়ান নিশ্চিত করতে বড় পদক্ষেপ কলকাতা বিমানবন্দরের। ইতিমধ্যেই সেকেন্ডারি রানওয়ে সংলগ্ন এলাকায় জোরকদমে নির্মাণকাজ শুরু হয়েছে। আর্থ মুভার মেশিন-সহ বিভিন্ন নির্মাণ সামগ্রী পৌঁছে গিয়েছে, আর দ্রুত গতিতে এগোচ্ছে পরিকাঠামো উন্নয়নের কাজ।
আরও পড়ুন – TMC MLA Kunal Ghosh: বিধায়কদের প্রশিক্ষণ সভায় বিতর্ক, স্পিকারদের ভূমিকা নিয়ে কুণালের তোপ
কি নিয়ে বাড়ছে বিতর্ক?
দ্বিতীয় রানওয়ের সম্প্রসারণকে ঘিরে বাড়ছে জোর আলোচনা। বিশেষ করে রানওয়ে সংলগ্ন একটি মসজিদ সরানোর সম্ভাবনা সামনে আসতেই বিষয়টি নতুন করে চর্চার কেন্দ্রে। (Kolkata Airport Upgradation) এই আবহেই সেকেন্ডারি রানওয়েকে আরও কার্যকর ও সম্পূর্ণ অপারেশনাল করে তুলতে তৎপর হয়েছে কলকাতা বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ।
বিমানবন্দর সূত্রের খবর, দ্বিতীয় রানওয়েকে আরও নির্ভরযোগ্য ও সর্বক্ষণ ব্যবহারযোগ্য করে তুলতেই তার এক প্রান্তের পুরনো স্তর সম্পূর্ণ তুলে নতুন করে নির্মাণ করা হচ্ছে। এই আধুনিকীকরণের ফলে রানওয়ের ঘর্ষণক্ষমতা বাড়বে, ফলে বৃষ্টি-সহ প্রতিকূল আবহাওয়াতেও নিরাপদে বিমান ওঠানামা করা যাবে। (Kolkata Airport Upgradation) শুধু তাই নয়, ভবিষ্যতে মূল রানওয়ে মেরামতির জন্য সাময়িকভাবে বন্ধ থাকলেও উড়ান পরিষেবায় যাতে কোনও ব্যাঘাত না ঘটে, সেই লক্ষ্যেই তৈরি করা হচ্ছে আরও শক্তিশালী ও কার্যকর দ্বিতীয় রানওয়ে।
এছাড়া আর কি পরিবর্তন আনা হচ্ছে
শুধু রানওয়ে নয়, যাত্রী পরিষেবাতেও বড় পরিবর্তনের পথে কলকাতা বিমানবন্দর। বাড়ানো হচ্ছে কাউন্টারের সংখ্যা, পাশাপাশি পুরনো সাইনেজের বদলে বসানো হবে অত্যাধুনিক ডিজিটাল সাইনেজ। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের দাবি, প্রযুক্তি ও পরিকাঠামোর ধারাবাহিক উন্নয়নের ফলেই বেড়েছে উড়ান পরিচালনার সক্ষমতা। (Kolkata Airport Upgradation) ২০১৩-১৪ অর্থবর্ষে যেখানে বছরে ৯২ হাজার ২০০টি বিমান ওঠানামা করত, বর্তমানে সেই সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১ লক্ষ ৪২ হাজার ২৬০।
নতুন টার্মিনাল চালুর পর থেকেই ধাপে ধাপে আধুনিক হয়েছে কলকাতা বিমানবন্দরের পরিকাঠামো। বিমান ওঠানামা ও যাত্রী পরিষেবার মান উন্নয়নের পাশাপাশি জোর দেওয়া হয়েছে জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলাতেও। (Kolkata Airport Upgradation) চালু হয়েছে অত্যাধুনিক অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা, রানওয়ের জন্য তৈরি হয়েছে ইমার্জেন্সি অ্যাক্সেস ওয়ে। একই সঙ্গে ট্যাক্সিওয়ে সম্প্রসারণ এবং আধুনিক এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল (এটিসি) টাওয়ার চালুর ফলে বিমান উড্ডয়ন ও অবতরণের অপেক্ষার সময়ও উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।
