কলকাতার তথ্যপ্রযুক্তি তালুক নিউ টাউনের চণ্ডীবেড়িয়ার এক বহুতলে নেমে এলো চরম বিপর্যয় ও (Tragic Live-in Horror) ভয়াবহতার ছায়া। রবিবার গভীর রাতে একটি বন্ধ ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার করা হলো ২৫ বছর বয়সী এক তরুণীর ঝুলে থাকা নিথর দেহ। সেই একই ঘরে মুমূর্ষু, ভয়ানক জখম এবং তীব্রভাবে রক্তাক্ত অবস্থায় পাওয়া যায় তাঁর লিভ-ইন পার্টনারকে। আকস্মিক এই মর্মান্তিক ঘটনাকে ঘিরে সমগ্র এলাকায় তুমুল আতঙ্ক ও চরম চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।
নৃশংসতা না আত্মহত্যার চেষ্টা , গা শিউরে ওঠা দৃশ্য
উদ্ধারকারী পুলিশ সূত্রে খবর, মৃতার বাড়ি ব্যারাকপুরে। ওই যুবকের সঙ্গে গত চার মাস ধরে তিনি নিউ টাউনের ভাড়াটে ঘরে একত্রবাস করছিলেন। আশঙ্কাজনক (Tragic Live-in Horror) ও যন্ত্রণাদায়ক অবস্থায় উদ্ধার হওয়া তরুণকে বাইপাসের ধারের একটি আশঙ্কাজনক কেয়ার বিশিষ্ট বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। যুবকের হাতের শিরা নির্মমভাবে কাটা ছিল বলে জানা গিয়েছে। রক্তে ভেসে যাওয়া সেই দৃশ্য দেখে শিউরে উঠেছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।
মারাত্মক বিবাদ ও দাম্পত্য সম্পর্কের ভয়াবহ পরিণতি
প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের তীব্র আশঙ্কা, দীর্ঘদিনের বিচ্ছিরি টানাপোড়েন, কৎসিত অশান্তি ও তিক্ত ঝামেলার চূড়ান্ত বিসংবাদই এনে দিয়েছে এই করুণ পরিণতি। প্রেমে মারাত্মক ফাটল ও সম্পর্কের চরম অবনতির কারণেই কি এই ভয়াবহ আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত (Tragic Live-in Horror) নাকি নেপথ্যে রয়েছে অন্য কোনো নৃশংস অপরাধ— তা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। তরুণীর শরীরে কোনো গোপন আঘাত বা হিংসাত্মক নির্যাতনের চিহ্ন রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
নিউ টাউন থানার পুলিশ এই রহস্যময় ঘটনায় ইতিমধ্যেই একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা দায়ের করে বিষাদময় ঘটনার গভীরে তদন্ত শুরু করেছে। জঘন্য কোনো খুন নাকি স্রেফ আত্মহত্যার চেষ্টা— তা ময়নাতদন্তের চূড়ান্ত রিপোর্ট এলেই পরিষ্কার হবে। বর্তমানে সঙ্কটাপন্ন (Tragic Live-in Horror) ওই যুবকের শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে এই বিভীষিকাময় ঘটনার আসল কদর্য সত্য প্রকাশ্যে আনা সম্ভব হবে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।
