রাজ্য বিজেপির নির্বাচন কমিটির পুর ভোটে প্রার্থী হওয়ার জন্য (Municipal Election Candidate News) কলকাতা ও হাওড়া পুরভোটে জমা পড়া হাজার হাজার আবেদনপত্র ইতিমধ্যেই যাচাই-বাছাই করার প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে।বিজেপির মুরলীধর সেন লেনের অফিস থেকে সল্টলেকের অফিসে ড্রপ বক্সের সমস্ত আবেদনপত্র পাঠানো হয়েছে ।
আরও পড়ুন – Congress hits back on Modi : নাগপুরে জয়ের পর মোদিকে পাল্টা প্রশ্ন কংগ্রেসের
সোমবার বিকেল ৫টা পর্যন্ত কলকাতার ইচ্ছুক প্রার্থীদের আবেদন জমা (Municipal Election Candidate News) নেওয়ার সময়সীমা ধার্য করা হয়েছিল।রাজ্য নির্বাচন কমিশন প্রথমে ২৮ বা ২৯ নভেম্বর কলকাতা ও হাওড়ার পুরভোটের সুপারিশ করলেও, পরে তা পিছিয়ে ২০ ডিসেম্বর করা হতে পারে, এমনি জল্পনা তৈরি হয়েছে। মঙ্গলবার কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে গাড়ি করে হাজার হাজার আবেদন পত্র জমা পড়েছে।
কলকাতার আসনে কত আবেদনপত্র জমা পড়েছে ?
আসন্ন পুরসভা নির্বাচনে কলকাতার ২০৯টি আসনের জন্য (Municipal Election Candidate News) সব মিলিয়ে ৬,০০০-এরও বেশি আবেদনপত্র জমা পড়েছে। আবেদন জমা নেওয়ার সময়সীমা শেষ হওয়ার পরপরই বিজেপির নির্বাচন কমিটি সমস্ত আবেদনপত্র খতিয়ে দেখার কাজ শুরু করেছে।
কলকাতার মুরলীধর সেন লেনের দলীয় অফিস থেকে কড়া নিরাপত্তায় (Municipal Election Candidate News) আবেদনপত্রগলি সল্টলেকের অফিসে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। জেলা ও মণ্ডলস্তর থেকে আবেদনকারীদের রাজনৈতিক পরিচিতি, সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা, স্বচ্ছ ভাবমূর্তি এবং সাংগঠনিক ভূমিকা গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখে প্রাথমিক তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে।
কী বলেছেন শমীক ভট্টাচার্য এই প্রসঙ্গে?
এই প্রসঙ্গে বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য বলেছেন, ‘‘বিজেপির কারোর সঙ্গে জোট করার প্রয়োজন নেই (Municipal Election Candidate News)। বিজেপিতে তৃণমূলীকরণও হবে না। বিজেপি একাই লড়াই করে কলকাতা ও হাওড়া পুর বোর্ড মানুষের সমর্থন নিয়ে গঠন করবে।’’
বিজেপি দলীয় সূত্রের খবর অনুযায়ী, (Municipal Election Candidate News) গত ১১ অক্টোবর থেকে ২৬ অক্টোবর পর্যন্ত নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শুধুমাত্র ড্রপবক্সের মাধ্যমেই নয়, অনেকেই ইমেলর মাধ্যমে ডাকযোগে এবং পুরভোটের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক নেতৃত্বের হাতেও প্রার্থী হওয়ার জন্য আবেদনপত্র জমা দিয়েছেন। এখন দেখার বিষয় এটাই যে কারা পেতে চলেছে পুরসভার প্রার্থীর পথ।






