জাতীয় নির্বাচন কমিশনের অন্দরে নতুন করে (Election Commission of India) শুরু হয়েছে জল্পনা। সাম্প্রতিক বিতর্কের আবহে দায়িত্ব বণ্টনে রদবদল ঘটিয়ে নতুন ওয়ার্ক অর্ডার জারি করল কমিশন। এর ফলে কি ডিজি আইটি সীমা খান্নার ক্ষমতা কিছুটা কমানো হল? উল্লেখ্য, জুলাই মাসে জারি হওয়া বিতর্কিত নির্দেশিকায় সীমা খান্নার সরাসরি মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে রিপোর্ট করার সুযোগ ছিল। ওই নির্দেশিকায় দায়িত্ব বণ্টন নিয়ে আপত্তি তুলেছিলেন কমিশনের দুই নির্বাচন কমিশনার।
আরও পড়ুন – JanBazar Kali Pujo :জানবাজারের কালীপুজো নিয়ে কড়া প্রশাসন ! জানুন বিস্তারিত
সীমা খান্নার ক্ষমতা খর্ব করল জাতীয় নির্বাচন কমিশন –
নতুন নির্দেশিকায় দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে বদল আনা হয়েছে সীমা (Election Commission of India) খান্নার রিপোর্টিং ব্যবস্থাতেও। আগে ডিজি আইটি হিসেবে তিনি সরাসরি মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের কাছে রিপোর্ট করতেন। কিন্তু সংশোধিত ওয়ার্ক অর্ডার অনুযায়ী, এবার থেকে তাঁকে আইটি বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সিনিয়র ডেপুটি নির্বাচন কমিশনার পবন কুমার শর্মার অধীনে কাজের রিপোর্ট জমা দিতে হবে। কমিশনের জারি করা নির্দেশিকায় এই পরিবর্তনের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। ফলে সীমা খান্নার প্রশাসনিক ক্ষমতা ও রিপোর্টিংয়ের পরিসর নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
বিতর্কের আসল কারণ কী ?
জুলাই মাসে দায়িত্ব বণ্টন নিয়ে নির্বাচন কমিশনার এস এস সান্ধু ও বিবেক (Election Commission of India) জোশীর আপত্তির পর অবশেষে নতুন নির্দেশিকা জারি করল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। গত ৪ নভেম্বর প্রকাশিত এই নির্দেশিকায় কাজের দায়িত্ব পুনর্বণ্টন করা হয়েছে। উল্লেখ্য, ২৮ জুলাইয়ের নির্দেশিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দুই নির্বাচন কমিশনার ২৯ জুলাই ক্যাবিনেট সচিবকে পৃথক চিঠি দিয়েছিলেন।






